পটুয়াখালী: জামাত কাহাকে বলে? ধর্ষণ, গর্ভবতী মাকে হত্যা, গর্ভস্থ সন্তানকে হত্যা, নারীকে বেচে দেয়া, ধর্মের নামে বজ্জাতি করা যার শিরায় শিরায়, রক্তে রক্তে প্রবাহিত হয় তাহাকেই জামাত বলে!
আজ্ঞে! এবং রাজাকার, দেশদ্রোহী, শয়তানদের শয়তানি এখনো একদম বহাল তবিয়তে চলমান রয়েছে। কর্মরত নারী তাদের চোখে বেশ্যা, সংসার চালানো নারী তাদের কাছে বেশ্যা, নারলোভী পাপিষ্ঠরা এখনো বাংলাদেশকে জ্বালিয়ে রেখেছে।
এবার এক জামাতি নেতার বিরুদ্ধে বিধবা মহিলাকে ধর্ষণ এবং গর্ভের সন্তান নষ্ট করার অভিযোগ উঠেছে।
পটুয়াখালী সদর উপজেলা যুব জামায়াতের সভাপতি মো. শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ করেছেন একজন ভুক্তভোগী নারী।
ধর্ষণ ও গর্ভের সন্তান নষ্ট করার অভিযোগে আদালতে মামলা হয়েছে। মামলাটি আমলে নিয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিতে পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
এদিকে, ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত পলাতক রয়েছেন। অবশ্য পলাতক থাকলেও কি, না থাকলেও কি? পুলিশ আর কী করবে? সব পাকা হাতের খেলা।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) রাতে বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. হুমায়ুন কবির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, গত ২২ জুলাই পটুয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে মামলাটি করেন। মামলায় একমাত্র আসামি করা হয়েছে মো. শহিদুল ইসলামকে।
ট্রাইব্যুনালের বিচারক শিরিন নিলা মামলাটি আমলে নিয়ে সদর থানাকে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।
অভিযুক্ত শহিদুল ইসলাম সদর উপজেলার ইটবাড়িয়া ইউনিয়নের বানিয়াকাঠী গ্রামের আবুল কালামের ছেলে। তিনি সদর উপজেলা যুব জামায়াতের সভাপতি এবং পটুয়াখালী ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের দপ্তর সম্পাদক।
মামলার এজাহারে বাদী উল্লেখ করেন, প্রায় সাত বছর আগে তার স্বামী মারা যান।
একমাত্র সন্তানকে নিয়ে বাবার বাড়িতেই থাকেন। শহিদুল ইসলাম তাঁকে বিভিন্ন সময়ে কুপ্রস্তাব দেন। তিনি রাজি না হলে বিয়ের প্রস্তাব দেন এবং নিজের বোন দেখাশোনা করবেন বলে আশ্বাস দিয়ে গত ২৪ মার্চ সকালে পটুয়াখালী শহরের শেরে বাংলা সড়কে তার বোনের বাসায় নিয়ে যান।
সেখানে একটি কক্ষে আটকে রেখে তাকে ধর্ষণ করা হয় বলে এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে।
এজাহারে আরো বলা হয়েছে, ভয় দেখিয়ে তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়। এতে তিনি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন।
এখানেই শেষ নয়, গর্ভের সন্তান নষ্ট করতে চাপ দেওয়া হলেও তিনি রাজি হননি। গত ১৮ মে চিকিৎসক দেখানোর কথা বলে তাকে একটি ক্লিনিকে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে ভয়ভীতি দেখিয়ে ওষুধ খাওয়ানো হয়। পরদিন জ্ঞান ফিরলে তিনি জানতে পারেন, তার গর্ভের সন্তান নষ্ট করা হয়েছে।
বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. হুমায়ুন কবির বলেন, বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ওই নারীকে শহরে এনে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়েছে বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে।
