ঢাকা: কারিনা কায়সার একজন কনটেন্ট ক্রিয়েটর এবং গণভবন লুটপাটকারী।
সেই ৫ই আগস্ট ২০২৪ সালে গণভবনে লুটপাট চালায়। শেখ হাসিনার ব্যবহারিত চিরুনি এবং ব্যাগ নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেক বাজে মন্তব্য করেছিলেন কারিনা কায়সার।
জুলাই জঙ্গীদের সাথে মিলে কী না করেছেন!? দিল্লি না ঢাকা করা জুলাই মব সন্ত্রাসীদের জীবন বাঁচানোর ঠিকানা ঐ ভারতেই।
কারিনা কায়সাররা সপরিবার গণভবন লুটপাটকারী, চোর, বাটপার। সারাবছর পাকিস্তান অ্যাম্বাসির কূটনৈতিকদের সার্ভিস দিয়ে এসেছে কারিনা আর এদের গ্যাংটা।
আর এখন ইন্ডিয়ায় চিকিৎসার জন্য। এটাকেই বলে নিয়তি! কি একটা অবস্থা।
চোর সমাজের এলিট গোষ্ঠীরা এখন ভারতে চিকিৎসা নিচ্ছে। এরা যেকোনো সময় হাসপাতালের পাশের বেডের রোগীর অর্থ, মোবাইল, স্বর্ণালংকারও চুরি করে নিতে পারে, ঠিক নেই।
ভারতের চেন্নাইয়ের ভেলোরে খ্রিষ্টান মেডিক্যাল কলেজ (সিএমসি) হাসপাতালে বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও অভিনেত্রী কারিনা কায়সার।
এখন তাঁর শারীরিক অবস্থা বর্তমানে স্থিতিশীল বলে নিশ্চিত করেছেন তাঁর বাবা দেশের প্রখ্যাত ফুটবলার কায়সার হামিদ।
গত সোমবার রাতে একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে চেন্নাইয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। সঙ্গে মা এবং ২ ভাই গেছেন। ভিসা জটিলতায় ভারত যেতে পারেননি কায়সার হামিদ।
দেশে তাঁর মেয়ের চিকিৎসায় নাকি ভুল হয়েছে। কায়সার হামিদ এই অভিযোগ করেন।
তা ভারতেই তো জুলাই জঙ্গীর প্রাণটা বাঁচলো তাই না? দেশে ফিরে কি আবার দিল্লি না ঢাকা স্লোগান দেবে?
তিনি জানান, দেশে প্রাথমিক চিকিৎসার ক্ষেত্রে বড় ধরনের ভুল পদ্ধতি অবলম্বন করা হয়েছিল। রাজধানীর একটি বেসরকারী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকাকালে কারিনাকে অপ্রয়োজনীয় ওষুধ, ঘুমের বড়ি এবং উচ্চমাত্রার অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হয়, যার প্রভাবে তার ফুসফুস আক্রান্ত হয়।
কারিনার বাবার দাবি, দেশে হেপাটাইটিস এ ও লিভার প্রতিস্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি বা আধুনিক চিকিৎসাব্যবস্থা না থাকার কারণে তাদের মতো সাধারণ মানুষকে ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে।
