ঢাকা: স্বপ্ন আর মনে জেদ থাকলে পাহাড় ভেঙে রাস্তা তৈরি করাও কোনো ব্যাপার না। বহু প্রতিকূলতা ভেঙে মানুষ এগিয়ে যায় শুধু মনের জোরে।
জন্ম থেকেই মেয়েটির দুই হাতের কবজি নেই। হাত ছোট ও বাঁকা। আর পাঁচজনের মতো স্বাভাবিক নয় তার জীবন।
একদিকে শারীরিক প্রতিবন্ধকতা আরেকদিকে সংসারে অভাব অনটন। তবুও পড়ালেখা চুকিয়ে দেননি কলি।
বরং অদম্য ইচ্ছেশক্তি আর স্বপ্ন পূরণের প্রবল আশা তাকে পৌঁছে দিয়েছে উচ্চ মাধ্যমিকের পরীক্ষার চূড়ায়।
তাঁর নাম কলি রানী।বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) শুরু হয়েছে এইচএসসি পরীক্ষা। পরীক্ষা দেয়া শুরু করেছেন কলি রানী।
তিনি কাউনিয়া কলেজের মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থী। প্রতিবন্ধকতাকে জয় করে পা দিয়ে লিখে পরীক্ষা দিচ্ছেন।
কাউনিয়া মহিলা কলেজ পরীক্ষাকেন্দ্রে বাংলা প্রথমপত্র দিয়ে শুরু হয় কলির এইচএসসি পরীক্ষা।
অনেক কষ্ট করছেন তিনি। এই অবস্থায় তাঁকে কতটা মানসিক জোর ধরে রাখতে হচ্ছে সেটা একমাত্র তিনিই জানেন।
কলি রানীর বাবা নেই। তিনি যখন তৃতীয় শ্রেণিতে পড়েন তখনই তাঁর বাবা মনোরঞ্জন রায় পরলোকগমন করেন। পরিবারে ছয় ভাই-বোনের মধ্যে সবার ছোট তিনি।
কলি রানীর জীবনে অনেক বড় হবার ইচ্ছা। বিসিএস ক্যাডার হয়ে মানুষের সেবা করার স্বপ্ন দেখেন তিনি।
তাঁর স্বপ্নটা যেন সফল হয়, বাস্তবের পৃথিবীতে যেন তাঁকে ধাক্কা না খেতে হয়। তিনি যেন সফল হতে পারেন এই প্রার্থনাই করছেন সহৃদয় ব্যক্তিরা।
