ঢাকা: সৌদি আরবের পবিত্র নগরী মক্কার একটি মসজিদে ‘অনৈতিক ও অশালীন’ কর্মকাণ্ড করার অভিযোগে দুই বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছে!
তবে এই বিষয়ে নাকি কোনোকিছুই জানেনা বাংলাদেশ। এবার বুঝলেন তো? আমরা যে বলি, বাংলাদেশি মুসলমানদের ফকির মিসকিন মনে করে সৌদি আরব, এটা তার আরো একটা প্রমাণ। এরকম অসংখ্য প্রমাণ আছে।
আর কারা যেন আমাদের দেশে শরীয়াহ আইন চায়? তারাই এখন মরাকান্না করছে।
তারপরেও আমাদের দেশের ধর্মান্ধরা দেখা যায়, নিজের ভালোর জ্ঞানটুকু নেই। এদিকে ওদিক লাফায় শুধু।
গণমাধ্যমে খবরটি প্রকাশের পর বিষয়টি জানতে পারে ঢাকা। ঘটনার বিস্তারিত তথ্য জানতে বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সৌদি আরবের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়েছে জেদ্দায় অবস্থিত বাংলাদেশ কনস্যুলেট।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বিকেলে জেদ্দায় বাংলাদেশ কনস্যুলেটের একটি সূত্র এই তথ্য জানায়।
ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও জেদ্দায় বাংলাদেশ কনস্যুলেটের সূত্রের বরাতে জানা গেছে, মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আগে সৌদি কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট মিশনকে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি।
গণমাধ্যমে খবর প্রকাশের পর বিষয়টি নজরে আসে। এবং ঘটনার বিস্তারিত জানতে সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে তথ্য চাওয়া হয়। জেনেই কী করবেন?
সৌদি প্রেস এজেন্সি (এসপিএ) গত বুধবার দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের তথ্য প্রকাশ করে।
মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুই বাংলাদেশি হলেন: নজরুল ইসলাম ও সুইটি আখতার।
জানা গিয়েছে, মক্কার একটি মসজিদে অনৈতিক ও অশালীন কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে সৌদি নিরাপত্তাবাহিনী তাদের গ্রেফতার করে। প্রাথমিক তদন্ত শেষে অভিযোগের ভিত্তিতে তাদের আদালতে পাঠানো হয়।
পরে শরিয়াহ আইনের অধীনে ‘তাআজির’ বা বিচারকের বিবেচনাধীন শাস্তির বিধান অনুযায়ী আদালত তাদের মৃত্যুদণ্ড দেন।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, মসজিদের পবিত্রতা ক্ষুণ্ন করা এবং অপরাধের পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে আদালত এই রায় দেন। পরবর্তী সময়ে উচ্চতর বিচারিক কর্তৃপক্ষ রায় বহাল রাখে এবং রাজকীয় আদেশের মাধ্যমে দণ্ড কার্যকরের নির্দেশ দেওয়া হয়।
সৌদি কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো চিঠির জবাব পাওয়ার পর মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের প্রক্রিয়া, বাংলাদেশকে অবহিত না করার কারণ এবং সংশ্লিষ্ট দুই নাগরিকের বিচারসংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য সম্পর্কে আরও স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যেতে পারে।
