ঢাকা: ঐতিহাসিক কামব্যাক করল আর্জেন্টিনা ফুটবল দল। আর্জেন্টিনা ভক্তদের বুকে কাঁপন ধরে গিয়েছিলো ম্যাচ দেখতে দেখতে। এ কী হচ্ছে?
একটা সময় তারা ২-০ গোলে পিছিয়ে পড়েছিল। কিন্তু, এরপর ম্যাজিক পারফরম্যান্স করল লা অ্যালবিসেলেস্তে ব্রিগেড।
প্রথমেই ব্যবধান কমালেন ক্রিশ্চিয়ানো রোমেরো। এরপর সমতা ফেরালেন রোজারিওর রাজপুত্র লিওলেন মেসি। এবং শেষপর্যন্ত এনজো ফার্নান্ডেজের গোলে জয়লাভ করল আর্জেন্টিনা।

যা দেখা গেলো, মিশরের রক্ষণভাগকে হতভম্ব করে দিয়েছে আর্জেন্টিনা।
এদিন, অঝোরে কেঁদেছেন লিয়োনেল মেসি। চোখের পানি তাঁর থামছেই না। এই আনন্দ শুধু একা মেসির না। পুরো আর্জেন্টিনার। আর্জেন্টিনা ভক্তদেরও এই অবস্থা।
আসলে একটু আগেও মনে হয়েছিল সব শেষ হয়ে গেছে। কিন্তু মেসি হলেন বিশ্বের সর্বকালের সেরা ফুটবলার। এবং সেটা আরও এক বার দেখালেন মেসি। একাই দলকে বাঁচিয়ে রাখলেন বিশ্বকাপে।

খেলা শেষে মেসিকে যে ভাবে কাঁধে তুলে লাফালেন সতীর্থেরা, তাতে বোঝা যাচ্ছিল, তিনি না থাকলে কী হত।
সত্যিই, মেসি না থাকলে এই ম্যাচ জিততে পারত না আর্জেন্টিনা। সে কোনও ভাবেই না।
ম্যাচ দেখে মনে হচ্ছিল, হার্ট অ্যাটাক হবে সবার।
তবে হারের মুখ থেকে আর্জেন্টিনাকে টেনে নিয়ে গেলেন বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে।
নিশ্চয়ই মনে আছে, খেলা শুরুর আগে মিশরের ডিরেক্টর অফ ফুটবল হাসান হুঙ্কার দিয়ে বলেছিলেন, তাঁদের দলে ২৬ জন মেসি রয়েছেন।
তবে সেটা অবশ্য হয়ে ওঠেনি মিশরের।
