ঢাকা: রংপুর জেলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী ও তাঁর পরিবার পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডের শিকার।
পুলিশের ভাষ্যমতে গণপতি চক্রবর্তীর দেহ ছাদে পাওয়া গেছে এবং তাঁর স্ত্রীর ও ছেলে মেয়ের বাসার ভিতরে।
তবে এই ঘটনাটি আসলে কী ঘটেছিলো, অপরাধী কে? এই বিষয়গুলো ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা চলছে। যথেষ্ট অসঙ্গতি চোখে পড়ছে।
পুলিশ পুরোটা বানোয়াট মিথ্যা তথ্য দিচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে।
পুলিশ কি আড়াল করতে চাইছে?এই হত্যাকাণ্ডের সাথে কারা জড়িত? পুলিশ তাদের সহযোগিতা করতে চাইছে কেন?
তাছাড়া এখন এসেছে শার্টের বিষয়! যেই শার্ট পরে পুলিশ আসামি খুঁজছিল, আজ সেই একই শার্ট আসামির গায়ে!
কাকতালীয়, নাকি কোনো সাজানো দৃশ্যের সূত্র? রংপুরের চার খুনে প্রশাসন আসলে কী আড়াল করতে চাইছে এখন সেই প্রশ্নের উত্তর খোঁজা জরুরি।
রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়ায় রংপুর জিলা স্কুলের সাবেক শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী ও দুই সন্তানের হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গ্রেপ্তার দুই সন্দেহভাজনের একজনের পরনের শার্ট নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা শুরু হয়েছে।
মরদেহ উদ্ধারের দিন এই একই ধরনের শার্ট পরা অবস্থায় পুলিশের এক কর্মকর্তাকেও দেখা যাওয়ায় বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
স্থানীয় ফেসবুক পেজের লাইভ ভিডিওতে মরদেহ উদ্ধারের সময় এক ব্যক্তিকে ওই ধরনের শার্ট পরে সিঁড়ি দিয়ে উঠতে দেখা যায়। তাঁর মুখে মাস্ক ছিল।
পরে পরিচয় নিশ্চিত হয়, তিনি রংপুর মহানগর পুলিশের মুখপাত্র ও উপ-কমিশনার (ডিবি) সনাতন চক্রবর্তী। এ বিষয়ে তিনি বলেন, একই ধরনের শার্ট আলাদা আলাদা ব্যক্তি পরতেই পারেন।
এ ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধ নামে দুই যুবককে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। তাদের দুজনের বাড়িই মাছুয়াপাড়ায়।
পুলিশের ভাষ্য, হত্যাকাণ্ডের পর তারা ওই ভবনে বসে ইয়াবা সেবন করেন। অভিযানের বিষয়টি টের পেয়ে তাদের একজন পালিয়ে পাশের রেশম উন্নয়ন বোর্ডের তুতবাগানে আশ্রয় নেন। পরে তুতবাগানের পাশের দখীগঞ্জ শ্মশান এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।
তাছাড়া তদন্তে যুক্ত কর্মকর্তাদের পরিচয় নিয়েও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা চলছে।
চার খুনের ঘটনায় তদন্তের সঙ্গে যুক্ত সিআইডির ইনচার্জ, মরদেহ উদ্ধারে নেতৃত্ব দেওয়া উপ-কমিশনার এবং মামলার তদন্ত কর্মকর্তা;সবাই হিন্দু ধর্মাবলম্বী। গ্রেপ্তার দুই সন্দেহভাজনও একই ধর্মের অনুসারী।
এটাও কী কাকতালীয়? পুরো বিষয়টাই ভীষণ গোলমেলে হয়ে যাচ্ছে। কী লুটোচ্ছে সরকার, প্রশাসন?
পুলিশ কর্মকর্তারা বলছেন, এটি নিছক কাকতালীয় বিষয় এবং কাউকে ধর্মীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে তদন্তে যুক্ত করা হয়নি।
