ঢাকা: শারদীয় দুর্গোৎসব চলে এসেছে। সনাতনীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব।

তবে এই দেশে পুজো শুরুর আগেই প্রতিমা ভাঙচুরের খবর আসে। তখনই বোঝা যায়, পুজো শুরু! দুর্ভাগ্য!

এবার তো বিএনপি নেতাকর্মীরা নাকি না ঘুমিয়ে মণ্ডপ পাহারা দেবেন, তাই তো বললেন।

এদিকে, শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সীমান্তের আট কিলোমিটারের মধ্যে এবং বিজিবির ব্যাটালিয়ন সদরের নিকটবর্তী এলাকাসহ মোট ২ হাজার ৭২৭টি পূজামণ্ডপে নিরাপত্তায় নিয়োজিত থাকবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

আগামী ১৬ থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত সীমান্তবর্তী পূজামণ্ডপগুলোতে প্রায় ১০ হাজার বিজিবি সদস্য নিয়োজিত থাকবে।

বিজিবির পরিচালক (অপারেশন) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মাহবুব মুর্শেদ রহমান জানান, দুর্গাপূজা ঘিরে সমন্বিত নিরাপত্তা পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এর আওতায় নিয়মিত টহল, গোয়েন্দা নজরদারি এবং স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ ও পূজা উদযাপন কমিটির সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করবে বিজিবি।

দূরবর্তী ও দুর্গম এলাকায় দ্রুত টহল ও নিরাপত্তা সহায়তা পৌঁছে দিতে প্রয়োজন অনুযায়ী অস্থায়ী ক্যাম্প স্থাপনের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।

ঢাকায় বিজিবি মোতায়েনের বিষয়ে তিনি বলেন, সরকারের নির্দেশনা এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের চাহিদার ভিত্তিতে দায়িত্বের পরিধি নির্ধারণ করা হবে। প্রয়োজন অনুযায়ী ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) ও স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে টহল, গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নিরাপত্তা সহায়তা এবং জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সাড়া দিতে প্রস্তুত থাকবে বিজিবি।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *