রংপুর: রংপুরে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ তাঁর পরিবারের চারজনকে হত্যার মামলায় গ্রেপ্তার দুই আসামি সিদ্ধার্থ দাস এবং মুগ্ধ দাসের ডোপ টেস্টে ইউরিনে কোনো মাদকের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। একদম নিট অ্যান্ড ক্লিন সব।
অথচ এর আগে পুলিশ দাবি করেছিল, ইয়াবা সেবন করে মাদকাসক্ত অবস্থায় ওই দুইজন শিক্ষক পরিবারকে একে একে হত্যা করেছে!
এখন ডোপ টেস্টের ফলাফল সামনে আসার পর স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে—তাহলে আগের সেই দাবি কতটা সত্য? ইয়াবা ওরা খায়নি! তাহলে আসল খুনী কে বা কারা?
ইয়াবার ঘটনা যদি সত্যিই হয়, তাহলে ইয়াবা কে খেয়েছে? যারা খেয়েছেন তাদের কেন আড়াল করতে চায় পুলিশ?
রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার (ডিবি) সনাতন চক্রবর্তী জানিয়েছেন, পুলিশের একটি দল আসামিদের ডোপ টেস্টের নমুনা সংগ্রহ করে। সোমবার দুপুরে পাওয়া ফলাফলে তাদের ইউরিনে কোনো মাদকের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি।
সোমবার (৩১ আগস্ট) দুপুরে তিনি এই তথ্য জানান।
এর আগে, রোববার (৩০ আগস্ট) দুপুর সোয়া ১টার দিকে রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে গিয়ে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) একটি দল আসামি সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসের ডোপ টেস্টের নমুনা সংগ্রহ করে।
এ সময় ডিবি পুলিশের সঙ্গে রংপুর মেডিকেল কলেজের ল্যাবের একজন টেকনোলজিস্ট ও একজন সহকারী উপস্থিত ছিলেন।
দুই আসামিকে মাদকাসক্ত দাবি করার ভিত্তি কী ছিল? ডোপ টেস্টে মাদক না পাওয়ার পর আগের দাবির ব্যাখ্যা কী? কী বলবেন তাঁরা?
আর এই যে এখন যে সব সত্য বেরিয়ে আসছে, এই দুটো হিন্দু পরিবারকে যে হয়রানি করা হচ্ছে এর দায় কে নেবে?
অপরাধী হলে অবশ্যই আইনের আওতায় বিচার হতে হবে। কিন্তু অভিযোগ আর প্রমাণ এক জিনিস নয়।
