ঢাকা: উগ্রবাদী গোষ্ঠী আবার মাথাচাড়া দিয়ে ওঠার চেষ্টা করছে। এদের কৌশল হলো ধর্মের আবেগকে ব্যবহার করে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করা।
এবং সারা দেশে সবসময় ধর্ম নিয়ে একটা ঝামেলা বাঁধিয়ে রাখা।
মব সৃষ্টির সংস্কৃতি, ভিন্নমতের মানুষের ওপর হামলা, মাজার- উপাসনালয়ে আক্রমণ, কবর থেকে লাশ তুলে জ্বালিয়ে দেওয়া, এসব ঘটনার সঙ্গে বারবার এমন উগ্র শ্রেণীটির সম্পৃক্ততা দেখা যায়।
এবার এইসব ঘটনা নিয়ে মুখ খুললেন রুমিন ফারহানা। যদিও এবার নয়, অপকাণ্ড নিয়ে বরাবর তিনি সরব।
ধর্ম অবমাননার নামে মানুষ হত্যা, গ্রাম পুড়িয়ে দেওয়া শেখ হাসিনার আমল থেকে শুরু হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা।
এ সময় তিনি রামু, নাসিরনগর, কলমাকান্দা, ঠাকুরগাঁও, কুমিল্লা এবং রংপুরের ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে সহিংসতার উদাহরণ দেন।
তিনি বলেন, এমন অনেক ঘটনা বলা যাবে। রুমিন ফারহানা অভিযোগ করে বলেন, ‘রাষ্ট্র এখানে ভয়ের চোটে কথা বলে না, পুলিশ প্রশাসন নিষ্ক্রিয় থাকে। গ্রামের পর গ্রাম ধর্ম অবমাননার নামে হাসিনার সময় থেকে শুরু হয়েছে জ্বালিয়ে দেওয়া।’
ঘণ্টার পর ঘণ্টা যখন মাজার ভাঙা হয় তখন সরকার কি করে? এই প্রশ্ন রাখেন স্বতন্ত্র্য এই সংসদ সদস্য।
বিএনপিরও সমালোচনা করেন রুমিন ফারহানা। বলেন, ‘বিএনপি মুখে উদারপন্থী দল হিসেবে বললেও ভেতরে ভয় পায়। উদার পন্থাপটও বাদ দিলাম। প্রতিটা নাগরিকের সেফটি সিকিউরিটি নিশ্চিত করার দায়িত্বটা তাদের নেওয়া উচিত ছিল।’
সংসদে বিরোধী দলকে পোষা বিরোধীদল হিসেবে অ্যাখ্যা দেন রুমিন ফারহানা। তিনি বলেন, ‘আমি ছাড়া একজন রাজনৈতিক ব্যক্তিও মাজার ভাঙার বিরুদ্ধে কথা বলে না কেন? কাদেরকে খুশি করতে চায় তারা।’
