ঢাকা: পুলিশ পেটানো আইনটা কখনোই আগে এ দেশে ছিলো না। তথাকথিত ছাত্র নামধারী জঙ্গীরা এই ট্রেন্ড তৈরি করে গেছে, ঐ যে যেমন মাহাদী বুক ঠুকে থানায় বসেই স্বীকার করেছে‌ পুলিশকে মেরে জুলাইয়ে দেয়ার কথা!

ঠিক সেই রকম চিত্র ফিরে আসছে‌ আবার।

আন্দোলনের নামে শুরু হয়েছে সহিংসতা, পুলিশ পেটানো।

রাজধানীর মিরপুরে পোশাক শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের মধ্যে এক পুলিশ সদস্যকে ঘিরে ধরে‌ বেধড়ক মারধরের ঘটনা‌ ঘটেছে।

এ সময় তাঁর কাছ থেকে অস্ত্র কেড়ে নিয়ে রাস্তায় ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকাল ১১টার দিকে মিরপুর-১১ নম্বর মেট্রোরেল স্টেশন থেকে প্রায় ২০০ মিটার দূরে কালশী সড়কে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সুপারশপের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

আহত পুলিশ সদস্যের নাম মো. সাইমন। তিনি পল্লবী থানার কনস্টেবল। হামলার পর তাকে উদ্ধার করে রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা ঘটনা সম্পর্কে জানান, আন্দোলনরত শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার সময় কয়েকজন ব্যক্তি ওই পুলিশ সদস্যকে হঠাৎ ঘিরে ধরেন। বিষয়টা খুব পরিকল্পিত মনে হয়েছে।

পরে তাকে লাঠি দিয়ে মারধর করা হয়। তার কাছ থেকে অস্ত্র কেড়ে নিয়ে রাস্তায় ফেলে দেওয়া হয়।

ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, কয়েকজন ব্যক্তি এক পুলিশ সদস্যকে ঘিরে ধরে লাঠি দিয়ে আঘাত করছেন। এ সময় আশপাশের কয়েকজন তাদের নিবৃত্ত করার চেষ্টা করেন।

পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জালাল উদ্দিন জানান, মিরপুর-১১ এলাকা থেকে শ্রমিকদের ধাওয়া দিয়ে ছত্রভঙ্গ করা হলে তারা কালশীর দিকে সরে যান। এ সময় পল্লবী থানা থেকে পুলিশের কয়েকজন সদস্য মিরপুর-১১-এর দিকে যাচ্ছিলেন।

পথে দলছুট অবস্থায় কনস্টেবল সাইমনকে পেয়ে তার ওপর আক্রমণ চালানো হয়। আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *