ঢাকা: আগামিকাল ২৩ জুন আওয়ামী লীগের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। জয় বাংলা’র নামে ভূত দেখে জামাত বিএনপি। তাই আওয়ামী লীগকে আটকানোর জন্য আঁটোসাঁটো নিরাপত্তা বেষ্টনীর ব্যবস্থা হয়েছে।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে রাজধানীজুড়ে নিরাপত্তা বলয় গড়ে তুলেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।
বাস্তবতা হচ্ছে, আওয়ামী লীগের যদি নাশকতা, দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির কোনো ইচ্ছা থাকতো, তাহলে নিষিদ্ধ হওয়ার পরেই করতো। এতদিন, বছর বসে থাকতো না।
অগণতান্ত্রিকভাবে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আওয়ামী লীগের জয় বাংলা স্লোগানে তাদের আতঙ্ক ধরে যায়, তাই এত ব্যবস্থা।
বলা হচ্ছে, যেকোনো ধরনের নাশকতা, বিশৃঙ্খলা বা অপ্রীতিকর পরিস্থিতি ঠেকাতে ঢাকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বিশেষ চেকপোস্ট, পিকেটিং, গোয়েন্দা নজরদারি এবং কুইক রেসপন্স টিম মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
রবিবার (২১ জুন) ডিএমপির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আগামি ২৩ জুন আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীর সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ১৮ হাজারেরও বেশি পুলিশ সদস্য মাঠে দায়িত্ব পালন করবেন।
একই সঙ্গে ডিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সরাসরি মাঠে থেকে নিরাপত্তা কার্যক্রম তদারকি করবেন।
ডিএমপি সূত্রে জানা গেছে, রাজধানীর ২০০টিরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ ও কৌশলগত স্থানে বিশেষ পিকেট ও চেকপোস্ট বসানো হবে।
ঢাকায় প্রবেশের সব প্রধান প্রবেশপথে কঠোর তল্লাশি চালানো হবে, যাতে কোনো বহিরাগত বা সন্দেহভাজন ব্যক্তি রাজধানীতে প্রবেশ করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে।
নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও জোরদার করতে ডিবি, কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি), স্পেশাল ব্রাঞ্চ (এসবি) এবং ইন্টারনাল অ্যাফেয়ার্স ডিভিশনের (আইএডি) সদস্যরা সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি চালাবেন।
বলা হয়, যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে ১৫টি কুইক রেসপন্স টিম (কিউআরটি) প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
এবং ডিএমপির চারটি প্রধান কন্ট্রোল রুমে পর্যাপ্ত সংখ্যক রিজার্ভ ফোর্স স্ট্যান্ডবাই থাকবে।
