ঢাকা: মসজিদ, মাদ্রাসায় আদতে কী চলে? ধর্মের নামে জঙ্গীবাদ চলছে, চলছে ধর্ষণ। এর বাইরে কোনো ভালো কাজ হয়?

মসজিদে চলছে জঙ্গীদের গোপন বৈঠক। দেশের ভবিষ্যৎ অন্ধকার।

রাজধানীর তেজগাঁও কলেজের একটি মসজিদ থেকে নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ততার সন্দেহে ২৩ জনকে আটক করেছে পুলিশ।

তবে সন্দেহ বলে কিছু হয় না, এরা আসলেই জঙ্গী।

শুক্রবার জুমার নামাজের পর মসজিদতে গোপন বৈঠক করার সময় তাদের আটক করা হয়।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, পুলিশের কাছে তথ্য ছিল, নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠনের সদস্যরা নগরীর বিভিন্ন এলাকা থেকে এসে ওই মসজিদে জড়ো হবেন। ওই তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়েছে।

আটককৃতদের বর্তমানে তেজগাঁও থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে। তাঁদের পরিচয় ও সাংগঠনিক নেটওয়ার্ক খতিয়ে দেখতে ডিএমপির কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট এবং অ্যান্টি টেরোরিজম ইউনিটের (এটিইউ) ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা থানায় এসে আটক ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করছেন।

তসলিমা নাসরিন এই বিষয়ে লিখেছেন, “জঙ্গিবাদকে শুধু ইসলামের ‘অপব্যবহার’ বলে দায় এড়ানো যায় না।

ইসলামের ধর্মগ্রন্থ ও ঐতিহ্যের মধ্যেই সশস্ত্র জিহাদ, ইসলামে অবিশ্বাসী এবং অমুসলিমদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ, নারীর বিরুদ্ধে বৈষম্য এবং ইসলাম ত্যাগের শাস্তির কথা লেখা আছে।

আধুনিক জঙ্গিরা শূন্য থেকে এসব বানায়নি। তারা ধর্মীয় উৎস থেকেই তাদের যুক্তি সংগ্রহ করে। তাই শুধু জঙ্গির সমালোচনা নয়, যে মতবাদ তাদের সেই নৈতিক অনুমোদন জোগায়, তারও সমালোচনা জরুরি”।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *