গাজীপুর: একই পরিবারের পাঁচজনকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। ইউনুসের আমেরিকা ও পাকিস্তান থেকে আমদানিকৃত “ম্যাটিকুলাস” চিন্তাধারা দেশের মানুষকে কত হিংস্র কত বর্বর করে তুলেছে।

এই হলো লাল স্বাধীনতার সুফল। এত হিংস্রতা ছিলো? মনোভাব এমন খুনীর হলো কী করে?

গাজীপুরের কাপাসিয়া ‘পাঁচ মার্ডারের’ ঘটনায় দুজনকে সন্দেহ করা হচ্ছে। এই তথ্য জানিয়েছেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সালমা খাতুন।

শনিবার (৯ মে) কাপাসিয়ার রাউতকোনা গ্রামে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়েছিলেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট। সেখানেই এ তথ্য জানান তিনি। যদিও তদন্তের স্বার্থে আর কোনো তথ্য দিতে পারেননি তিনি।

তবে সন্দেহ করলেই কী? শাস্তি আর কতদিনের? সেই তো আসামি খোলা আকাশের নিচে চলে আসে, আরামে ঘুরে বেড়ায়।

সালমা খাতুন বলেন, ‘দুজনকে সন্দেহ করা হচ্ছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা হয়েছে। তবে তদন্তের স্বার্থে এখনই বিস্তারিত কিছু বলা যাচ্ছে না।’

ঘরের স্ত্রী, তিন মেয়ে ও শ্যালকসহ পাঁচজনকে গলা কেটে হত্যা করা হয়। তাদের মধ্যে ২ বছর ও ৮ বছরের একটি শিশু রয়েছে।

নিহতরা হলেন- প্রাইভেটকার চালক ফুরকান মিয়ার স্ত্রী শারমিন, তাদের মেয়ে মীম (১৫), মারিয়া (৮) ও ফারিয়া (২) ও শ্যালক রসুল মিয়া।

পুলিশ জানিয়েছে, সম্ভবত পারিবারিক কলহের কারণে ফুরকান মিয়া ঘটনাটি ঘটিয়েছেন।

তার ঘরে দেশীয় মদের খালি বোতল, রান্না করা পায়েস ও কোকাকোলার বোতল পাওয়া গেছে। অর্থাৎ এই মিয়া যে মদ্যপ ছিলো, তা বোঝা যাচ্ছে।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *