ঢাকা: হাদী নামক জঙ্গী, অশ্লীলতাকে প্রশ্রয় দেয় এই দেশের বাঙ্গুরা। রাজাকার, পাকি মনোভাবাপন্নরা হাদীকে দিয়ে চরম ব্যবসা করে নিয়েছে। হাদীর মুখের ভাষা থেকে শুরু করে সবই অশ্লীল ছিলো, সে তো আছেই। এই কট্টরের কথা বলে শেষ হবে না।
হাদীর মৃত্যু নিয়ে খেলেছে ষড়যন্ত্র। ভারত বিরোধিতা, হিন্দু নিধন- কোনোটাই আমরা ভুলে যাইনি।
সবমিলিয়ে দেশটা ধ্বংস হয়ে গেছে ৫ আগস্টের পর। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানিয়ে দিয়েছেন তিনি দেশে ফিরছেন। ডিসেম্বরেই ফিরবেন জানিয়েছেন।
আর এই আবহের মধ্যেই এবার ঘটনা ঘটে গেলো।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শেখ মুজিবুর রহমান হলের গেট থেকে ‘শহীদ ওসমান হাদি হল’ নামফলক মুছে ফেলা হয়েছে। সেখানে আবারও পুরোনো নামফলক ‘শেখ মুজিবুর রহমান হল’ ফিরিয়ে আনা হচ্ছে।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের থেকে হাদী তাদের কাছে বড় হয়েছিলো। কিন্তু ইতিহাস পাল্টানো যায় না।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টার দিকে হলের গেট থেকে নতুন নামটি মুছে ফেলার কার্যক্রম শুরু হয়।
একসময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই হলটি সবাই চিনত ‘শেখ মুজিবুর রহমান হল’ নামে। কিন্তু শরীফ ওসমান হাদির মৃত্যুর পর ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে হলটির নামফলক পরিবর্তন করে ‘শহীদ ওসমান হাদি হল’ লেখা হয়।
এরপর প্রায় নয় মাস না যেতেই বদলে যাচ্ছে সেই নাম। টিকবে না হাদী। এই সোনার বাংলায় টিকবে না রাজাকার।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এরই মধ্যে নামফলক সরানোর ছবি ছড়িয়ে পড়েছে। ছবিটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করেন শেখ মুজিবুর রহমান হল সংসদের বহিরাঙ্গন ক্রীড়া সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল নোমান।
তিনি লেখেন, হলের সামনে এসে অনেকে শেখ মুজিবুর রহমান হল নাম না দেখে বিভ্রান্ত হয়ে যেতেন—আজ থেকে সেই বিভ্রান্তি আর থাকবে না; আগের নামটি সরিয়ে ফেলা হচ্ছে।
এদিকে, এই বিষয়ে হল সংসদের ভিপি মো. মুসলিমুর রহমান বলেন, ‘হল সংসদকে না জানিয়েই এই নাম মুছে ফেলা হয়েছে। হল সংসদ এই জায়গায় ইনফর্মড না। আমি ফেসবুক মারফতে জানতে পারি যে নাম মোছার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। আমি প্রশাসন বা অন্য কোথাও থেকে কোনো ইনফরমেশন পাইনি। হলের প্রভোস্টকে ফোন দিয়েছিলাম, কিন্তু ওনাকে পাইনি।’
