ঢাকা: চলতি বছর দেশে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা গত বছরের তুলনায় অনেক বেড়েছে, যদিও মৃত্যুর সংখ্যা কমেছে। হাম, ডেঙ্গু দুই নিয়েই আতঙ্ক বাড়ছে।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত বুলেটিনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
বুলেটিন অনুযায়ী, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ২৫ আগস্ট পর্যন্ত সারাদেশে ৩০ হাজার ৮৩০ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

গত বছর একই সময়ে এই সংখ্যাটা ছিল ২৯ হাজার ৪৪ অর্থাৎ এবার ১ হাজার ৭৮৬ জন বেশি রোগী ভর্তি হয়েছেন।

চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে ডেঙ্গুর রোগী সংখ্যা সবচেয়ে বেশি হতে পারে বলে শঙ্কা করা হচ্ছে। গত তিন বছরের ডেঙ্গু সংক্রমণের আগস্ট-সেপ্টেম্বরের চিত্র এবং চলতি বছরের শুরু থেকে গতকাল পর্যন্ত স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশনস অ্যান্ড কন্ট্রোল রুমের নিয়মিত তথ্য বিশ্লেষণে এসব আশঙ্কার কথা উঠে এসেছে।

বিশেষ করে ২০২৪ ও ২০২৫ সালের অভিজ্ঞতা বলছে, আগস্টের পর সেপ্টেম্বর মাসে ডেঙ্গুর চাপ বেড়েছে সবচেয়ে বেশি।

চলতি বছর ডেঙ্গুতে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮৮ জনে।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, সম্প্রতি বছরগুলোয় ডেঙ্গু সংক্রমণের হার সবচেয়ে বেশি আগস্ট এবং সেপ্টেম্বরে।

এই সময়ে ডেঙ্গু সংক্রমণ বৃদ্ধির কারণ বৃষ্টিপাত, তাপমাত্রা আর জমে থাকা পানি। এসবের ওপর এডিস মশার প্রজনন নির্ভর করে। থেমে থেমে বৃষ্টি হলে এই প্রজনন আরও বাড়তে পারে।

এডিসের প্রজননস্থল ধ্বংস করাটা অত্যন্ত জরুরি।

সতর্ক হোন, আতঙ্কিত নয়।

জ্বর হলে অবহেলা করবেন না। বিশেষ করে তীব্র মাথাব্যথা, চোখের পেছনে ব্যথা, শরীর ব্যথা, বমি বা প্রচণ্ড দুর্বলতা থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

পর্যাপ্ত পানি ও তরল পান করুন।

হালকা ও পুষ্টিকর খাবার খান।

জ্বরের জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী Paracetamol ব্যবহার করুন।

Aspirin, Ibuprofen, Diclofenac বা অন্যান্য NSAID নিজে থেকে খাবেন না।

অবশ্যই দিনে ও রাতে মশারি ব্যবহার করুন।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *