ঢাকা: দেশের সেরা ১০০ শিক্ষক বাছাই করা হবে, বাছাই করে তাঁদের অবদানকে সম্মান জানাতে প্রত্যেককে ১ লাখ টাকা করে দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছে বিএনপি সরকার।

তবে এখন এই নিয়ে অনেক প্রশ্ন উঠছে, যেটা স্বাভাবিক।

অনেকে বলছেন, “দিলে সবাইকে। কয়েকজনকে দিলে বাকি শিক্ষক মহোদয়রা কি করবেন”?

এই যে ১০০ জন সেরা শিক্ষককে বাছাই করা হবে, তার মানদণ্ড কী?

জানানো হয়, আগামি ৫ অক্টোবর জাতীয় শিক্ষক দিবস উদযাপনের সময় তাঁদের সকলকে পুরস্কৃত করা হবে।

রবিবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন এ তথ্য জানিয়েছেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘শিক্ষকদের ভালো কাজের স্বীকৃতি দেওয়া এবং তাদের উৎসাহিত করা সরকারের দায়িত্ব। যারা ভালো কাজ করছেন আমরা তাদের স্বীকৃতি দিতে চাই, পুরস্কৃত করতে চাই এবং উৎসাহিত করতে চাই। এটা প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছা।’

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ একটি জনবহুল দেশ। এই জনগণই আমাদের জাতীয় সম্পদ, এবং আমরা ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড বা জনসংখ্যাগত লভ্যাংশের সুবিধা পাব।’

বিশ্বায়নের যুগে উন্নত দেশগুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকিয়ে রাখতে বাংলাদেশের জন্য শিক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করে মন্ত্রী জানান, শিক্ষক দিবস উদযাপনের জন্য গঠিত কমিটিতে বেশ কয়েকজন নতুন সদস্যকে যুক্ত করা হয়েছে, যার মধ্যে বিভিন্ন জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত হুইপরাও রয়েছেন।

‘জেলা পর্যায় থেকে শিক্ষকদের এই প্রক্রিয়ায় অন্তর্ভুক্ত করার ক্ষেত্রে তাদের সহযোগিতা সবচেয়ে বেশি কাজে আসবে,’ বলেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, শিক্ষকদের বিশেষ স্বীকৃতির জন্য মনোনীত করার নীতি নির্ধারণ বা নীতিমালা চূড়ান্ত করবে একটি জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যানদের নিয়ে এই কমিটি শিক্ষক নির্বাচনের পদ্ধতি, কতজন শিক্ষককে সম্মানিত করা হবে, আর্থিক সহায়তার পরিমাণ এবং বাজেটসংক্রান্ত বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করবে বলে জানান তিনি।

মন্ত্রী উল্লেখ করেন, প্রস্তাবিত এই স্বীকৃতিদান কর্মসূচির মূল লক্ষ্য শিক্ষকদের সম্মান-মর্যাদা বৃদ্ধি করা এবং তাদের অবদানকে স্বীকার করে নেওয়া।

তিনি বলেন, ‘আগের সরকারের আমলে মাত্র ১২ জন শিক্ষককে ২ লাখ টাকা করে মোট ২৪ লাখ টাকা দেওয়া হয়েছিল।’

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *