ঢাকা: দায়িত্ব পালনের আড়ালে স্বর্ণ পাচারে সক্রিয় বিমানের এক শ্রেণির অসাধু কর্মকতা-কর্মচারী। চোরাকারবারি চক্রের প্রতিনিধি হয়ে স্বর্ণপাচারে সহায়তা করছে তারা।
কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে তাদের কেউ কেউ এখন আঙুল ফুলে কলাগাছ।
কে দুর্নীতিমুক্ত, সৎ আছে দেশটায়? ঘরের ভিতরেই তো খুনী, ডাকাত বসে আছে!
২০২৪ এ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দায়িত্ব পালনের আড়ালে চোরাকারবারিদের প্রতিনিধি হয়ে কোটি কোটি টাকার স্বর্ণ পাচারে বিমানে শক্তিশালী একটি চক্রের তথ্য পেয়েছিলো পুলিশ।
স্বর্ণ পাচারের অভিযোগ ছিলো। গ্রেপ্তার করা হয়েছিলো জাহাঙ্গীরকে। সে স্বর্ণ পাচার চক্রের সক্রিয় সদস্য ছিলো। সেরকমই আছে নিশ্চয়ই এখনো। সরকার নিশ্চুপ।
এবারো সেই হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৃথক দুটি অভিযানে একদিনে প্রায় সাড়ে ১৩ কেজি স্বর্ণ উদ্ধার করেছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।
অভিযানে মালয়েশিয়ান এয়ারলাইন্সের এক যাত্রীর শরীর থেকে ৪.৫ কেজি এবং দুবাই থেকে আসা ফ্লাইটের দুই বিমানকর্মীর জুতার ভেতর থেকে ৯.৩৪ কেজি স্বর্ণ উদ্ধার করা হয়েছে।
দুটি ঘটনায় উদ্ধার হওয়া স্বর্ণের মোট পরিমাণ হবে ১৩.৮৪ কেজি। এর বাজার মূল্য প্রায় সাড়ে ২৪ কোটি টাকা।
কাস্টমস গোয়েন্দা সূত্রে জানা যায়, দুবাই থেকে ঢাকায় আসা ‘এমিরাটস এয়ারলাইন্স-এর ইকে ০৫৮২’ ফ্লাইটের রানওয়েতে দুই বিমানকর্মীর চলাফেরা সন্দেহজনক মনে হয়। তারপরেই তাঁদের তল্লাশি করা হয়।
তল্লাশির সময় দুই বিমানকর্মীর জুতার ভেতরে লুকানো ৮০টি স্বর্ণবার উদ্ধার করা হয়। প্রতিটি বারের ওজন প্রায় ১১৭ গ্রাম। সব মিলিয়ে উদ্ধার হওয়া স্বর্ণের ওজন প্রায় ৯.৩৪ কেজি। যার বাজারমূল্য ১৬ কোটি ২৫ লাখ টাকার বেশি।
কারা এই স্বর্ণের চালানের সঙ্গে জড়িত, কোথা থেকে স্বর্ণগুলো আনা হয়েছিল এবং কার কাছে পৌঁছানোর কথা ছিল—এসব বিষয় এখন তদন্ত করছে শুল্ক গোয়েন্দা কর্তৃপক্ষ।
বিমানবন্দরের ভেতরে বিমানকর্মীদের জুতার মধ্যে এমন বিপুল পরিমাণ স্বর্ণ উদ্ধারের ঘটনায় বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছে।
অন্যদিকে শনিবার রাতে কুয়ালালামপুর থেকে ঢাকায় আসা মালয়েশিয়ান এয়ারলাইন্সের এমএইচ-০১৯৬ ফ্লাইটের এক যাত্রীর কাছ থেকে ৪.৫ কেজি স্বর্ণ উদ্ধার করে ঢাকা কাস্টমস হাউস।
আটক যাত্রীর নাম মি. ইয়াং ডন সিউ। তিনি মালয়েশিয়ার নাগরিক।
