ঢাকা: সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ৪ হাজারের বেশি বাংলাদেশির ভিসা বাতিল করে দিয়েছে। এর ফলে মারাত্মক সমস্যায় পড়েছেন শ্রমিকরা। প্রায় ৪ হাজার ৮০০ বাংলাদেশির ভিসা বাতিল হয়েছে।
এই ঘটনায় ছুটিতে দেশে এসে অনেকেই আর কর্মস্থলে ফিরতে পারছেন না। তবে কেন তাদের ভিসা বাতিল করা হয়েছে, সে বিষয়ে কোনোরকম কারণ জানানো হয়নি।
সব মিলিয়ে, সবদিক থেকে বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের হয়েছে সবচেয়ে হয়রানি।
এই সরকার সবদিক থেকেই অক্ষম। কোনো দেশের সাথে তারেক রহমানের সরকার ভালো এবং মজবুত সম্পর্ক রাখতে পারছে না।
বাংলাদেশ সরকার কূটনৈতিকভাবে বিষয়টি আমিরাতকে জানিয়েছে এবং ভিসা বাতিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার অনুরোধ করেছে।
এদিকে পরিস্থিতির বিপাকে পড়া বাংলাদেশিরা সমস্যা সমাধানে সরকারকে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়েছেন।
দেশে ফিরে তাদের অনেকে কোনো ধরনের সতর্কবার্তা ছাড়াই ভিসা বাতিলের খবর পেয়েছেন।
হঠাৎ করে এমন ভিসা বাতিলের খবরে সবাই হতভম্ব।
উল্লেখযোগ্য যে, বাংলাদেশ ১৯৭৬ সাল থেকে আরব আমিরাতে কর্মী পাঠিয়ে আসছে। গত ৫০ বছরে দেশটি বাংলাদেশি প্রবাসীদের বড় গন্তব্যে পরিণত হয়েছে। বর্তমানে সেখানে ১২ লাখের বেশি বাংলাদেশি বসবাস করছেন।
প্রবাসীরা পরিবার চালান সেখানে থেকে।
এক প্রবাসী জানান, তাদের বিরুদ্ধে কোনো মামলা বা গ্রেপ্তারি সংক্রান্ত অভিযোগ নেই। আমিরাতে তার ব্যবসা ও পরিবার রয়েছে। অথচ হঠাৎ ভিসা বাতিল হওয়ায় দেশে এসে অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছেন তিনি। আমিরাতে ফিরতে না পারলে ব্যবসা ও জীবিকা—সবকিছু হারানোর আশঙ্কা করছেন।
গত ৭ সেপ্টেম্বর প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর ফেসবুক পোস্টে জানান, সংযুক্ত আরব আমিরাত ৪ হাজার বাংলাদেশির ভিসা বাতিল করেছে। বিষয়টি তার মন্ত্রণালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানে।
তিনি লিখেছেন, তাদের অনেকের সেখানে ব্যবসা ও দোকান আছে। বিষয়টা কূটনৈতিকভাবে সমাধানের চেষ্টা চলছে।
পরে মন্ত্রণালয়ের সূত্র জানায়, ভিসা বাতিলের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত বাংলাদেশির সংখ্যা বেড়ে ৪ হাজার ৮০০ জনে দাঁড়িয়েছে।
৭ সেপ্টেম্বর জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানে ক্ষতিগ্রস্ত প্রবাসীরা পাঁচ দফা দাবি জানান। দাবির মধ্যে আছে, তাদের পুনর্বাসন ও সংকটের সমাধান না হওয়া পর্যন্ত আর্থিক সহায়তা দেওয়া।
