Oplus_131072

ঢাকা: স্বনামধন্য ব্যবসায়ী, ওয়েল গ্রুপের সিইও এবং সাবেক ছাত্রলীগ নুরুল ইসলাম নুরুকে মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে।

২০২৪ এর জঙ্গী আন্দোলনের রেশ এখনো চলছে দেশে। হুটহাট মনে হলেই চলছে গ্রেপ্তারি। অথচ যে সত্যিকারের দেশটাকে ডুবিয়ে দিলো, শিশুগুলোকে মারলো, এবং টিকা না দেয়ার ফলে হামে এখনো শিশুরা মারা যাচ্ছে -সেই হত্যাকারী দিব্যি ঘুরে বেড়াচ্ছে।

এই বাটপার ইউনূস ঠিকই ফাঁসির কাষ্ঠের বদলে ভিভিআইপি নিরাপত্তা পাচ্ছে।

২৪ এ জঙ্গী আন্দোলনের সময় সংঘটিত একটি হত্যা মামলার তদন্তে সন্দেহভাজন হিসেবে ওয়েল গ্রুপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) সৈয়দ নুরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

কোথাকার কে গুলি খেয়ে মরেছে, জামাতা শিবিরই মেরেছে, হয়তো বা মরেনি, এখনো বেঁচে – মৃতও তো মামলার পর জীবিত হয়ে ফিরে এসেছে কত এই দেশে- সেরকমই একটা ঘটনায় তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

সোমবার (৮ জুন) রাতে রাজধানীর গুলশান-২ এলাকার হোটেল ওয়েস্টিনের সামনে থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। মঙ্গলবার তাঁকে আদালতে পাঠানো হয়।

গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. দাউদ হোসেন বলেন, গুলশান থানায় দায়ের হওয়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন-সংশ্লিষ্ট একটি হত্যা মামলার তদন্তে সন্দেহভাজন হিসেবে সৈয়দ নুরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

আদালতে দাখিল করা পুলিশের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৬৫ বছর বয়সী সৈয়দ নুরুল ইসলাম চট্টগ্রামের চান্দগাঁও থানার মোহরা এলাকার বাসিন্দা। তিনি সাবেক মোহরা ইউনিয়ন যুবলীগের আহ্বায়ক ছিলেন। বর্তমানে ঢাকার ধানমন্ডি এলাকায় বসবাস করছেন।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৪ সালের জুলাইয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমনে পরিকল্পনা, অর্থায়ন ও সহায়তার মাধ্যমে বিভিন্ন পর্যায়ের রাজনৈতিক নেতা, কর্মী এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা জড়িত ছিলেন। ওই ঘটনার ধারাবাহিকতায় ভাটারা এলাকায় সংঘটিত সহিংসতায় মাদ্রাসাশিক্ষার্থী নাজিম উদ্দিন নিহত হন।

এজাহার অনুযায়ী, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে আন্দোলন দমনে পরিকল্পনা, অর্থায়ন ও সহায়তার অভিযোগ আনা হয়েছে ওয়েল গ্রুপের সিইও সৈয়দ নুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে।

নাজিম উদ্দিন নিহত হওয়ার এ মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক মন্ত্রী ওবায়েদুল কাদেরসহ আরও অনেককে আসামি করা হয়েছে।

হয়তো ঐ মৃতই কয়দিন পর এসে বলবে,’আমি মরিনি’!

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *