ঢাকা: ১১ জুন থেকে শুরু হতে চলা বিশ্বকাপ হবে আমেরিকা, মেক্সিকো এবং কানাডায়। প্রথম বার ৪৮টি দল এই প্রতিযোগিতায় খেলবে।
১৯৯৮ সাল থেকে বিশ্বকাপে ৩২টি দল অংশ নিত, তাই এই বার প্রতিযোগিতার আকার বেশ বড় হবে।
বিশ্বকাপ ফুটবল শুধু মাঠের খেলা আর গোল নয়। এর সাথে অনেক নিয়ম থাকে। যা ফুটবলারদের মানতে হয়।
ফিফা, আন্তর্জাতিক ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন বোর্ড (আইএফএবি), বিশ্ব ডোপবিরোধী সংস্থার (ওয়াদা) কড়া নজরদারিতে থাকতে হয় ফুটবলারদের।
বিশ্বকাপে মাঠ এবং মাঠের বাইরে খেলোয়াড়দের কী কী করার স্বাধীনতা আছে? আর কোন কোন কাজ করা যাবে না তার তালিকা আছে।
জার্সি খোলা বারণ
আবেগের বশে জার্সি খোলা যাবে না ।
সীমাছাড়া উদ্যাপন
গোলের পর সতীর্থদের নিয়ে উল্লাস করায় সমস্যা নেই। তবে সময় নষ্ট করা বা গ্যালারির দর্শকদের উস্কানি দেওয়ার মতো অতি উদ্যাপন দেখলে ফিফা কড়া শাস্তি দিতে পারে।
গয়নাগাটি নিষিদ্ধ
মাঠে কোনো রকম গয়না পরা যাবে না।
খেলোয়াড়েরা চাইলে সুরক্ষামূলক সরঞ্জাম যেমন ব্যান্ডেজ, ফেস মাস্ক বা গার্ড ব্যবহার করতে পারেন। তবে মাঠে নামার আগে দলীয় চিকিৎসক ও রেফারির অনুমোদন বাধ্যতামূলক।
ভেতরের গেঞ্জি বা অন্য কোনো পোশাকে রাজনৈতিক, ধর্মীয়, ব্যক্তিগত কোনো বার্তা দেখানো যাবে না।
ম্যাচ চলাকালীন রেফারির সঙ্গে কথা বলা অপরাধ নয়। তবে সেই আলাপচারিতায় আক্রমণাত্মক মনোভাব ইত্যাদি করা যাবে না।
হলুদ কার্ডের বোঝা
আলাদা দুটি ম্যাচে দুটি হলুদ কার্ড পেলেই বিপদ। নিয়ম অনুযায়ী, পরের ম্যাচটিতে ওই খেলোয়াড়কে বাধ্যতামূলকভাবে দর্শকের সারিতে বসে থাকতে হবে।
লাল কার্ডের নিয়ম
লাল কার্ড দেখার সঙ্গে সঙ্গে মাঠ ছাড়তে হবে।
ডোপ টেস্টের কড়াকড়ি।
ফিফা এবং ‘ওয়াডা’র নিয়ম অনুযায়ী, ডোপ টেস্টে অস্বীকৃতি জানানো যাবে না।
ইন্টারনেটে বা সোশ্যাল মিডিয়ায় কোনো ধরনের আপত্তিকর, বর্ণবাদী, রাজনৈতিক উস্কানিমূলক পোস্ট করা যাবেনা।
সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হওয়া যাবে, এতে কোনো সমস্যা নেই।
ফিফার পূর্ব অনুমতি ছাড়া অফিশিয়াল মিডিয়া সেশন এড়িয়ে যাওয়া অসম্ভব।
জার্সি বদল করা যাবে।
খেলোয়াড়েরা চাইলেই যখন-তখন ঘুরে বেড়াতে পারবেন না।
ফিফার অফিশিয়াল অনুষ্ঠান বা ইন্টারভিউতে কোনো অননুমোদিত স্পনসর বা প্রতিদ্বন্দ্বী ব্র্যান্ডের প্রচার চালানো যাবে না।
ম্যাচ চলাকালীন সময় কোনো খেলোয়াড় মাথায় চোট পেলে বা অচেতন হয়ে পড়লে রেফারি বা ডাক্তারদের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত কথা হবে।
আরো যেমন, ফিফার আয়োজনে ম্যাচ শুরুর আগে পূর্ব অনুমোদিত বর্ণবাদবিরোধী যেকোনো কর্মসূচিতে অংশ নিতে পারবে দলগুলো।
