ঢাকা: “সে বললো তাকে নাকি জুলাই যোদ্ধা বলে গালি দেয়া হয়েছে! সে কি তবে স্বীকার করলো যে জুলাই যোদ্ধা একটা গালি।
[সে মানে কে এটা বুঝে নেয়া আপনাদের কাজ]

Moral of the story: What goes around comes around”.

লিখেছেন‌ মেহের ‌আফরোজ শাওন। বাঁধনের উদ্দেশ্যে। অভিনেত্রী তথা ঝুলাই যোদ্ধা বাঁধন এখন বাঁধন ছাড়া। তাঁর ওপর পচা ডিম নিক্ষেপ করায় তিনি যথেষ্ট ক্ষুব্ধ। এবং একদিক দিয়ে স্বীকার করে নিলেন জুলাই যোদ্ধা একটা খালি।

আমরা কখনোই দাঙ্গা সমর্থন করি না, মব, হত্যা, মারামারি সমর্থন করি না। কিন্তু তারপরেও যে একটি প্রশ্ন জাগে কাকে ক্ষমা করা উচিত? এটা জানার পাশাপাশি এটাও জেনে রাখা দরকার— কাকে ক্ষমা করা যাবেনা।

আসলে জুলাই যোদ্ধারা দেশটাকে যে পর্যায়ে নিয়ে গেছে, আজকে তার বিষাক্ত ফল ভোগ করতে হচ্ছে জনসাধারণকে। মানুষ না খেয়ে মারা যাচ্ছে। শেখ হাসিনা থাকলে দেশটার এই দশা হতো? এককথায় সবাই বলছেন, না হতো না। তিনি যেভাবে হোক টেনে ধরে রাখতেন। সেই ক্ষমতা তারেক রহমানের নেই।

এই বাঁধন এখন আর শুধুই একজন ‘অভিনেত্রী’ কিংবা ‘নারী’ পরিচয়ে আবদ্ধ নেই— প্রতারণার জুলাইয়ে নেতৃত্বদানের মধ্য দিয়ে তিনি ‘প্রতারক’ হিশেবে চিহ্নিত হয়েছেন।

তাঁর মতো এরকম প্রচুর প্রতিরক আছেন, যারা অন্যায়ের বিরুদ্ধে মুখ খোলা তো দূরের কথা আরো প্রশ্রয় দিয়েছেন।

গত ২ বছরে শত শত অন্যায়-অবিচারে আমরা তার অস্বাভাবিক নীরবতা দেখেছি, শত-শত খুন-ধর্ষণের খবর দেখেও তাকে আর গলা ফাটিয়ে বলতে শোনা যায়নি ‘এই দেশটা আমার’।

তখন তাদের মুখে একটা টু শব্দটি শোনা যায়না।

নীরবতা যদি সম্মতির লক্ষণ হয়, তাহলে গত ২ বছরের মাত্রাহীন অন্যায়-অত্যাচারের প্রতি বাঁধনের সম্মতি ছিলো। ফলে, বাঁধনকেও শোষক হিসেবেই দেখতে হবে। বাঁধন আর ইউনূসের কোনো তফাত নেই।

অভিনেত্রী রোকেয়া প্রাচীকে ধানমণ্ডি বত্রিশে যেদিন মেরে মাথা ফাটিয়ে দিলো, বাঁধন সেদিন আনন্দে মেতেছিলেন। এগুলো কী কখনো কোনো মানুষের লক্ষণ হতে পারে?

শিল্পী মমতাজ বেগমকে আদালত চত্বরে ডিম ছুড়ে মব করে হেনস্থা করা হলো, তখনও বাঁধন নিশ্চুপ।

বাঁধন সব জায়গায় চুপ। এরকম শত শত বাঁধন আছে।

আমরা আগেও বলেছি, সহিংসতাকে সমর্থন করিনা। কিন্তু বাঁধনদের মতো সুবিধাবাদী প্রতারকদের সাথে ভুক্তভোগীরা যদি কিছু করে, সেটারও বিরোধিতা করার অধিকার রাখিনা।

বাঁধন দেশের সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকি। ইউনূসের আদর্শের লোক কোনোদিন ভালো হবে?

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *