ঢাকা: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাথে জঙ্গী ইউনূস জুলাই জাদুঘরের উদ্বোধন করে দারুণ উচ্ছ্বসিত। বুঝে পাচ্ছেন না কী করবেন!
এই দিনেই দেশকে গ্রাস করেছিলো রাহু। শেখ হাসিনার ক্ষমতাচ্যুতি দেশকে অন্ধকারে নিয়ে যায়।
তারপর ২০২৪ সালের ৮ আগস্ট হানাদার ইউনূস বাংলাদেশের সংবিধানকে চূড়ান্তভাবে লঙ্ঘনের মাধ্যমে রাষ্ট্র দখল করে।
রাষ্ট্রপতিকে অস্ত্রের মুখে নির্বাচিত সংসদ ভেঙে দেয় ও জাতির উদ্দেশ্যে মিথ্যা ভাষণ প্রচার করে। বিচারপতির স্বাক্ষর জালিয়াতি করে আদালত থেকে মিথ্যা রেফারেন্স এনে গঠন করে জঙ্গি-সন্ত্রাসী সরকার। এই দিনটিকে পরিণত করে সংবিধান লঙ্ঘন ও কালো দিবস হিসেবে।
জুলাই-আগস্ট সময়ে মীমাংসিত কোটা ইস্যুকে জঙ্গীরা হিংসাত্মক করে তোলে।
দেশকে রক্তবন্যায় ভাসিয়ে অবৈধ, অগণতান্ত্রিক, রাষ্ট্রের অর্থ আত্মসাৎকারী ডাকাত অথর্ব ইউনূস ক্ষমতার মসনদ দখল করে তাবেদারি সরকার গঠন করে।
আজ আবার ভাষণ দিতে এসেছেন তিনি জাদুঘর নিয়ে।
অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর শুধু অতীতের স্মৃতি সংরক্ষণের স্থান নয়, এটি নতুন বাংলাদেশ গঠনের প্রেরণার কেন্দ্র। এই জাদুঘর তাৎক্ষণিকভাবে অতীতকে ধারণ করলেও ভবিষ্যৎ রচনার ভিত্তি তৈরি করেছে।
নির্লজ্জতার একটা সীমা থাকে, কিন্তু ইউনূসের কোনো সীমা নেই।
বুধবার (৫ আগস্ট) সকালে রাজধানীতে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
ড. ইউনূস বলেন, পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে নানা ধরনের জাদুঘর থাকলেও জুলাই জাদুঘরের বৈশিষ্ট্য সম্পূর্ণ আলাদা। এখানে বহু বছরের পুরোনো ইতিহাস নয়, বরং গণঅভ্যুত্থানের ঘটনাগুলো ঘটার সঙ্গে সঙ্গেই সেসবের দলিল, নিদর্শন, স্মারক ও মানুষের অনুভূতি সংগ্রহ করে সংরক্ষণ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে ইতিহাস সংরক্ষণের এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘আমরা পথ হারিয়ে ফেললে এই জাদুঘরে এসে পথ খুঁজে নেব। আমাদের চিন্তায় যদি কোনো গাফিলতি আসে, এখান থেকেই তার ঠিকানা খুঁজে আবার নতুন করে যাত্রা শুরু করব।’
