ইসলাম ধর্ম নিয়ে রাজনীতির ব্যবসা করলেও সে ব্যবসাতেও প্রচণ্ড টানাপোড়েন-ক্ষোভ-বিক্ষোভ-দ্বন্দ্ব দেখা দিয়েছে বাংলাদেশের ইসলামী রাজনীতিতে।

একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীর দল জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য নতুন করে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে।

ছয় মাসও যেতে পারেনি তাদের এই ইসলামী ব্যবসা-সংসার। এরই মধ্যে প্রচণ্ড বিরোধ-ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। জামায়াত তার সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে একাধিপত্য খাটাতে চায়। কিন্তু জোটের অন্যরা তা মানতে চাইছে না। ফলে ইসলামী জোট এখন আর ১১ নয়, তারা এখন নয়।

২০২৬ এর গত ১২ ফেব্রুয়ারির ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে এই ১১ দলীয় ইসলামী রাজনৈতিক জোট বা ঐক্য গড়ে উঠেছিল।

কিন্তু সেই ভালোবাসায় ফাটল দেখা দিয়েছে। কারণ এর মধ্যে নেতৃত্ব, দলগত ও ব্যক্তিগত লাভ-লোকসানের হিসাব-কিতাব রয়েছে ।

তবে জোটের শরিক দলগুলোর মধ্যে দূরত্ব, ইসলামপন্থী রাজনীতিতে নতুন মেরুকরণের উদ্যোগের মধ্যেই জোট টিকিয়ে রাখার কৌশল নির্ধারণে বৈঠকে বসেছে লিয়াজোঁ কমিটি।

বিভিন্ন মাধ্যমে যে খবর পাওয়া গেছে তাতে বলা হচ্ছে- এটি কেবল নিয়মিত সমন্বয় সভা নয়; বরং জোটের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক বৈঠক।

৩০ জুলাই বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে শুরু হয়েছে ১১ দলীয় ঐক্যের লিয়াজোঁ কমিটির বৈঠক।

বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান ওরফে সাদা শকুন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সভায় জোটভুক্ত বিভিন্ন দলের শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন । সভায় জোটের ভবিষ্যৎ, শরিক দলগুলোর অবস্থান এবং সামনের রাজনৈতিক কৌশল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

জোটসংশ্লিষ্ট একাধিক দায়িত্বশীল সূত্রমতে, গত কয়েক সপ্তাহে ঘটে যাওয়া ধারাবাহিক রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহের কারনে এই বৈঠকের গুরুত্ব বেড়েছে। ইতোমধ্যে শরিক দল খেলাফত মজলিস আনুষ্ঠানিকভাবে জোট ছেড়েছে।

একই সময়ে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের উদ্যোগে কওমি ঘরানার দলগুলোকে নিয়ে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম গঠনের আলোচনা শুরু হয়েছে।

তার মানে জামায়াতের বাই প্রোডাক্ট দল হিসেবে পরিচিতি পাওয়া টোকাই জঙ্গী রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) একটু নড়াচড়া দিচ্ছে।

আসলে এ নড়াচড়া তাদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার জন্যই বলছেন অনেকে। এর পাশাপাশি আরও কয়েকটি ইসলামপন্থী দলের জোট ছাড়ার গুঞ্জনও ছড়িয়ে পড়েছে।

এরই মধ্যে আমরা দেখেছি ১১ দলীয় কথিত ইসলামিক জোট থেকে খেলাফত মজলিস বের হয়ে গেছে। হেফাজতে ইসলামীর উদ্যোগে আরও কয়েকটি দল বের হওয়ার গুঞ্জন শুরু হয়েছে। এর মধ্যে এনসিপির বিষয়টিও সামনে এসেছে।

এরই মধ্যে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তবর্তী জেলা সাতক্ষীরা- ৪ (শ্যামনগর-কালীগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য ও জামায়াতে ইসলামীর নেতা গাজী নজরুল ইসলাম একটি হোটেলের কক্ষে এক তরুণীকে নিয়ে অপকর্মের পর ধরা খেলেন । এ নিয়ে দলটি প্রচন্ড ইমেজ সংকটে পড়েছে দেশের মানুষের কাছে।

এমনকি দলের মধ্যেসহ তাদের জোটভুক্ত নেতাদেরও প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হচ্ছে। জামায়াত নেতার যৌন কেলেংকারি নিয়ে আলোচনা-সমালোচনার মধ্যেই চট্টগ্রামে এক এনসিপি নেতা এক ছাত্রীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়ে এখন কারাগারে। আহা ! কি কষ্ট এই টোকাই জঙ্গী দলটির।

এসব ন্যাক্কারজনক যৌন কেলেংকারির ঘটনায় সারাদেশেই আলোচনা-সমালোচনার ঝড় বইছে। অবস্থা চরম বেগতিক দেখে জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি মানে ওস্তাদ-সাগরেদের দলদুটো এই দুজনকে দল থেকে বহিষ্কার করতে বাধ্য হয়েছে। কিন্তু এটি যে শুধু লোক দেখানো তা বেশ ভালোই বোঝে লোকজন।

এমনতরো পরিস্থিতিতে এই ১১ দলীয় ইসলামী জোট না ভেঙে কীভাবে এটিকে রক্ষা করা যায় সেজন্য চেষ্টা করছে জোট নেতারা। তবে পরিস্থিতি কতদূর গড়ায় তা ঠিক বোঝা যাচ্ছেনা।

কারণ সুচতুর জামায়াতে ইসলাম সবসময়েই প্রতারণা করেছে, মধুর মধুর কথা বলে। এবারও তার ব্যতিক্রম হবে বলে মনে হয়না। এরা আবার নানাভাবে ম্যানেজ করতে বেশ পটু।কথায় না হলে নানা সুযোগ সুবিধে দিয়ে হলেও তারা এসব ‘ম্যানেজ মাষ্টার’।

সম্প্রতি জামায়াত-এনসিপি ও তাদের জোটভুক্ত কিছু নেতা এমন সব বক্তব্য দিয়ে মাঠ গরম করছেন যে, তারা চাইলেই দুই-চারিদিনের মধ্যেই বিএনপি সরকারকে ক্ষমতা থেকে ফেলে দিতে পারে।

বিশেষ করে ডারবি নাসির খ্যাত নাসিরউদ্দিন পাটোয়ারি, সারজিস আলম ওরফে সারভিস আলম, হাসনাত আবদুল্লাহ মানে সেই ‘কুখ্যাত কালা পাঠা’ এমন সব বক্তব্য দিচ্ছেন যে তাদের দয়াতেই সরকার টিকে আছে। এগারো দলীয় ইসলামী জোটে আসলে এখন দুইটি দল নেই।

তারা জোটের বাইরে। তাহলে দল থাকে ৯টি। এটিকে এখন ৯ দলীয় ইসলামী জোট বলাই বোধ হয় শ্রেয়।তারপরও একাত্তরের খুনীর দল ও পরে রগকাটার দল হিসেবে কুখ্যাতি পাওয়া জামায়াতে ইসলামী তাদের নেতৃত্বে অন্য শরীক দলগুলোকে এক রাখতে আপ্রাণ চেষ্টা করছে।

তবে ম্যানেজ মাষ্টার ও শেয়ালের মত ধূর্ত জামায়াতে ইসলামী নানাভাবে যদি তার শরীক দলগুলোকে বাগে নিয়ে আসতে সক্ষম হয় তাতে অবাক হওয়ার কিছু থাকবেনা। বিভিন্ন সূত্রমতে রাষ্ট্রপতি মো: সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করতে বাধ্য হওয়ায় আসন্ন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন, এনসিপির বিভিন্ন কর্মসূচিতে হামলার ঘটনা, বিএনপি সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপ এবং বিরোধী দলের পরবর্তী রাজনৈতিক কর্মসূচিও আলোচনা হয়েছে।

উল্লেখ্য, বর্তমান সংসদে জামায়াতে ইসলামী-র নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য জোটটি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট ৭৭টি সংসদীয় আসন লাভ করেছে। আর প্রধান বিরোধী দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে একাত্তরের খুনী ও নারী ধর্ষনকারি দল জামায়াতে ইসলাম।

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) তথ্য অনুযায়ী, এই ১১ দলীয় জোটের শরিক দলগুলোর মধ্যে শুধুমাত্র তিনটি দল সরাসরি নির্বাচনে আসন জয় করতে সক্ষম হয়েছে।

ত্রয়োদশ সংসদে সরাসরি ভোটে নির্বাচিত সাধারণ আসন (৩০০টি)র মধ্যে জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটের দলভিত্তিক মধ্যে জামায়াতে ইসলামীর সাধারণ আসন ৬৮টি।

তাদের বি-টিম হিসেবে পরিচিত টোকাই জঙ্গী বেয়াদপ দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)’র ৬টি আসন।

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস পেয়েছে ২টি আসন, খেলাফত মজলিস এর ১টি আসন রয়েছে। জোটের অন্য শরিক দলগুলো কোনো আসন পায়নি।

অপরদিকে সংসদে সংরক্ষিত নারী আসন বণ্টনের ক্ষেত্রে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট সর্বমোট ১৩টি সংরক্ষিত নারী আসন লাভ করেছে।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এককভাবে সাধারন ৬৮ টি আসন পেয়েছে ইলেকশনে , তবে সেইসাথে তারা আরো সংরক্ষিত ৯ টি নারী আসন পেয়েছে। মানে জামায়াতের মোট আসন সংখ্যা ৭৭ টি।

সংসদীয় আসনের হিসেব অনুযায়ী জামায়াত এককভাবে ১১টি সংরক্ষিত নারী আসন পাওয়ার দাবিদার হলেও যোগ্য জোটের ঐক্য বজায় রাখতে তারা শরিকদের অতিরিক্ত আসন ছেড়ে দিয়েছে বলে দলটির নেতারা দাবি করেন।

এদিকে কিশোরগ্যাং ভিত্তিক ইসলামী প্রতারক জঙ্গী সংগঠন হিসেবে পরিচিত জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)’র ৬ টি সাধারন আসন ও সাথে দুইটি নারী আসন নিয়ে সন্তুষ্ট থাকতে হচ্ছে এখন অবধি।

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস জাতীয় সংসদে মোট আসন হলো ৩ টি। এরমধ্যে ২ টি সাধারণ আসন ও একটি নারী আসন পেয়েছে দরকষাকষি করে।

খেলাফত মজলিস: ১টি আসন, তারা কোন নারী আসন পায়নি। জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা)’র রয়েছে একটিমাত্র নারী আসন।

এদিকে সংসদ নির্বাচন পরবর্তী সময়ে আসনভিত্তিক হিসাবটি আপাতত: কার্যকর থাকলেও সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ডামাডোলে খেলাফত মজলিস জোট ত্যাগের ঘোষণা দিয়েছে। পাশাপাশি এনসিপি-ও জোটে তাদের অবস্থান পুনর্মূল্যায়ন করছে।

এদিকে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস এর আমীর ও সেই সোনারগাঁও ৫০১ এর বিখ্যাত (!) নেতা মাওলানা মামুনুল হক কিন্তু জামায়াতের সঙ্গে থেকেই তার নেতৃত্ব টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করছেন।

কারণ তার রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত চরিত্র ধর্ষণকারিদের দল জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে অনেক মিল রয়েছে।

এই মামুনুল কওমি মাদ্রাসাভিত্তিক সামাজিক ও অরাজনৈতিক সংগঠন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের যুগ্ম-মহাসচিব পদে রয়েছেন।

এবছর ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় গঠিত এই ইসলামি ও সমমনা দলগুলোর মোর্চা থেকে প্রভাবশালী শরিক দলগুলো একের পর এক বের হয়ে যাচ্ছে। ফলে জোটের শরিক সংখ্যা কমে বর্তমানে দাঁড়িয়েছে ৯টিতে।

তারমানে আর ১১ নয় এখন দাঁড়িয়েছে নয়।
এরই মধ্যে গত ২৫ জুলাই খেলাফত মজলিস ( মাওলানা আব্দুল বাসিত আজাদের নেতৃত্বাধীন অংশ) জামায়াত নেতৃত্বাধীন রাজনৈতিক জোট থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের প্রত্যাহার ঘোষণা করেছে। দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, এই জোটটি মূলত নির্বাচনী আসন সমঝোতার জন্য গঠিত হয়েছিল এবং নির্বাচনের পর এর কার্যকারিতা ফুরিয়ে গেছে।

এর আগে ২০২৬ এর জুন মাসে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনও জোটের কার্যক্রম থেকে নিজেদের গুটিয়ে নেওয়ার ঘোষণা দেয়। নির্বাচনের ঠিক আগমুহূর্তে আসন বণ্টন নিয়ে অসন্তুষ্টির কারণে চরমোনাই পীরের ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ জোটের সাথে আসন সমঝোতা থেকে নিজেদের সরিয়ে নিয়েছিল।

জোটের অন্যতম শরিক খেলাফত মজলিসের বড় অভিযোগ ছিল যে, আসন বণ্টনের ক্ষেত্রে জামায়াত এবং মাওলানা মামুনুল হকের ‘বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস’-কে অতিরিক্ত প্রাধান্য দেওয়া হয়েছিল। এই আভ্যন্তরীণ বৈষম্যের কারণেই দলগুলোর মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়।

এরই মধ্যে জোটের শরিক দলগুলোর মধ্যে সন্দেহ তৈরি হয়েছে যে, জামায়াতে ইসলামী আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলোতে শরিকদের না নিয়ে এককভাবে অংশ নিতে পারে। এই আস্থার সংকট জোট টিকিয়ে রাখার ক্ষেত্রে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

কওমী মাদ্রাসা ভিত্তিক হেফাজতে ইসলামী বাংলাদেশ এর উদ্যোগে ‘কওমি ঐক্য’ ধারায় একটি নতুন রাজনৈতিক বা ধর্মীয় প্ল্যাটফর্ম তৈরির চেষ্টা চলছে। আর এতে নেতৃত্ব দিচ্ছেন হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী।

কওমী মাদ্রাসাভিত্তিক অপর দুটি দল -খেলাফত মজলিস এবং খেলাফত আন্দোলন মনে করছে, জামায়াতের জোটে থাকার চেয়ে কওমি ধারার নিজস্ব জোটে যোগ দেওয়া আদর্শিক দিক থেকে বেশি নিরাপদ।

সুচতুর জামায়াতে ইসলামী অবশ্য জোটের এই ভাঙনকে সরাসরি ‘ভাঙন’ বলতে নারাজ। দলটির কেন্দ্রীয় নেতাদের দাবি, এটি কোনো ভাঙন নয়, বরং একটি রাজনৈতিক “কৌশলগত ঐক্য” এবং দলগুলো সাময়িকভাবে কিছু কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছে না। তারা এটিকে সরকারের বা তাদের বিরোধী পক্ষের ‘কৌশলগত ষড়যন্ত্র’ হিসেবেও আখ্যায়িত করছেন।

মূলত একাত্তরের যুদ্ধাপরাধী-খুনী ও ধর্ষকদের দল জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটটি পূর্ণাঙ্গ আদর্শিক জোট না হয়ে একটি নির্বাচনী কৌশলগত মোর্চা ছিল।

ফলে ২০২৬ সালের সাধারণ নির্বাচন পার হওয়ার পরপরই আসন বণ্টন এবং দলগত প্রাধান্যকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্বে জোটটি ভেঙে পড়েছে।

# নুরুল ইসলাম আনসারি: লেখক, প্রাবন্ধিক।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *