আজ থেকে  বছর দুয়েকের কিছু বেশি সময়ের আগের একটি ছোট্ট ঘটনা।

ঘটনাটিকে আপাতত ছোট মনে হলেও আমার কাছে সে  ঘটনাটিকে ছোট মনে হয়নি পরবর্তীকালে। কেন মনে হয়নি সেটিই বলছি। আর সেদিন না হলেও বুঝেছি তিনি বাঙ্গালির কোথায় অবস্থান করছেন।

তস্করের দলগুলো স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি শেখ মুজিবুর রহমানকে  যতই অবজ্ঞা করুক আর অস্বীকার করার চেষ্টা করুক তাতো হবেনা। তাঁকে ইতিহাসের পাতা থেকে মুছে ফেলার নানা ষড়যন্ত্র, নানা অপচেষ্টা নানা ব্যাখ্যা দাঁড় করানোর অপচেষ্টা হয়েছে সেই ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট থেকে। কিন্তু এসব ষড়যন্ত্রকারিরা বার বারই  ব্যর্থ হয়েছে। তাই হবে।

শুধু বঙ্গবন্ধুকে নয়, এই অসাংবিধানিক-অগণতান্ত্রিক অপশক্তি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগকেও বিলুপ্ত বা মাটির সাথে মিশিয়ে নিশ্চিহ্ন করে দিতে নানা ষড়যন্ত্র করছে।

আর এই যে বঙ্গবন্ধু ও আওয়ামীলীগকে মুছে ফেলার ষড়যন্ত্র তার সব কিছুই কিন্তু প্রচন্ড আতংক থেকে। কারণ বিশ্বের কাছে বাংলাদেশ মানেই বঙ্গবন্ধু, বঙ্গবন্ধু মানেই বাংলাদেশ। আর সেই বঙ্গবন্ধু আওয়ামী লীগকে জনপ্রিয়তার তুঙ্গে নিয়ে গিয়ে যেতে পেরেছিলেন গণমুখী আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে।

যার ফলে সেই আওয়ামী লীগই কিন্তু  ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্ব দিয়েছে। দেশটিকে পাকিস্তানী হানাদারমুক্ত করার অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে।

তো অন্ধকারে যে সাম্প্রদায়িক অপশক্তি রয়েছে তারা তো সবসময়ই চাইবে আওয়ামীলীগ-বঙ্গবন্ধুকে নিশ্চিহ্ন করে ফেলতে।

অপরদিকে বাংলাদেশের রাষ্ট্রব্যবস্থা থেকে রাজনীতিকে যারা বিরাজনীতি করার জন্য অনেকদিন থেকেই অপচেষ্টা করে যাচ্ছে তারাও কিন্তু সক্রিয় রয়েছে। তাদের সে দেশি-বিদেশী অপচেষ্টা নানা কৌশলে নানারূপে অব্যাহত রয়েছে। তা কখনো দেখা যায় প্রকাশ্যে। আবার কখনো তা দেখা যায়না।

কারণ গিরগিটির মতো এরা রং পাল্টাতে পারে ক্ষণিকের মধ্যেই। এই গিরগিটির সংখ্যা ইদানীং বেশ বেড়েছে।

আওয়ামীলীগ-বঙ্গবন্ধু-মুক্তিযুদ্ধ-মুক্তস্বাধীন চিন্তা-সংস্কৃতিকে সবচেয়ে বেশি ভয় এ অপশক্তিগুলোর। শুধু ভয় না। এরা আসলে চরম আতংকে থাকে। তাই শেখ হাসিনা আগামী ডিসেম্বরে বাংলাদেশে আসবেন এ ঘোষণা দেয়ার পর থেকেই তাদের মধ্যে হৃদকম্প শুরু হয়ে গেছে।

আবার বিদেশে মানে ভারতে বসে শেখ হাসিনা আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে অনলাইন বা অফলাইন বৈঠক করবেন তাতেও তাদের প্রবল আপত্তিই শুধু নয় রীতিমতো আতংকিত হয়ে গেছে বিএনপিসহ অন্যরা।

তো এখানে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন জাগে- বিএনপির এখনকার কাণ্ডারি প্রধানমন্ত্রী তারেক জিয়া বা তারেক রহমানের কাছে যে, আপনি যে দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে লন্ডনে পলাতক বা রাজনৈতিক আশ্রয়ে থেকে সেখান থেকে অডিও-ভিডিওর মাধ্যমে দেশে বিএনপির নানা সমাবেশে বক্তব্য দিয়েছেন তখন কি বাঁধা পেয়েছিলেন আপনি? না আপনার দল তা সেই রাজনৈতিক সভা-সমাবেশ করতে পারেনি?

ওয়ান ইলেভেনের সামরিক ছত্রচ্ছায়ায় পরিচালিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কাছে আপনি আর রাজনীতি করবেন না এই মুচলেকা দিয়ে লন্ডনে পালিয়েছিলেন।
কিন্তু আপনিতো সেই যদি মুচলেকার বরখেলাপ করেই সেখানে বসে দিব্যি রাজনীতি চালিয়ে গেছেন।

সমালোচকরা বলেন- আপনি শুধু রাজনীতিই করেননি সেখানে বসে নিজের দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে তাদের কাছ থেকে প্রচণ্ড রকমের চাঁদাবাজিও করেছেন।

অবশ্য চাঁদাবাজি আপনার রাজনীতিরই একটি বড় অংশ সেটি অবম্য দেশবাসী বেশ ভালো করেই জানেন। কারণ আপনার মা বেগম খালেদা জিয়া যখন প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তখন আপনি ঢাকায় “হাওয়া ভবন” এর মাধ্যমে সেখানে বিকল্প সরকার পরিচালনা করতেন।

এই হাওয়া ভবনই তখন সরকারের কেন্দ্রবিন্দু ছিল অলিখিতভাবে।  সেতো আর নতুন করে বলতে হবেনা।

অবশ্য এখন যেহেতু সেই চাঁদাবাজদের গডফাদারই দেশের প্রধানমন্ত্রী তখন দেশে চাঁদাবাজির কি অবস্থা তা এখনকার নাগরিকরাই জানেন, আমাকে আর নতুন করে কিছু বলতে হবেনা।

আর আপনার চাঁদাবাজি মানে পার্সেন্টিজতো এখন অন্যভাবে অন্য দেশে জমা হচ্ছে ও হবে বিভিন্ন সরকারি প্রকল্প থেকে তা আর না বললেও যা বোঝার বুঝে নিচ্ছে দেশবাসী। নাহলে আপনি কেন আমেরিকা থেকে বোয়িং কিনতে চাইছেন হঠাৎ করে অতি উচ্চমূল্যে ? এটিতো শুধু ট্রাম্প প্রশাসনকে খুশী করার জন্য নয়।

নিজের গদি রক্ষার বিষয়ের সাথে সাথে এ বিমানবহর কেনায় আপনার যে উচ্চহারে পার্সেন্টিজ জমা হবে অন্যদেশে সেটিও মুখ্য।

অনেক উচ্চমূল্যে আপনি এলএনজি ও জ্বালানী তেল কিনছেন কোন প্রতিযোগিতামূলক দরপত্র ছাড়াই তা সেখানেও যে বড় অংকের লেনদেন হচ্ছেনা তা কেউ হলফ করে বলতে পারেনা।

যখন লেখাটি লিখছি তখনই দেখলাম ম্যান্ডেট চিনিয়ে নেয়া আমাদের অনিচ্ছা সত্ত্বেও নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জ্বালানী তেলের দাম লিটার প্রতি মাত্র (!!??) ২০ টাকা করে বাড়িয়েছেন থুঁড়ি সমন্বয় করেছেন।

সরকার আবার খুব মোলায়েম করে বলে- দাম বাড়ানো হয়নি, সমন্বয় করা হয়েছে। হয়তো ওয়াশিংটন আর আইএমএফ থেকে কড়া বার্তা এসেছে- জ্বালানীতে ভর্তুকি দেয়া চলবেনা।

অথবা এই যে বাড়তি টাকা কেটে নেয়া হচ্ছে জনগনের পকেট থেকে তার একটি অংশ আমাদের খ্যাতনামা চাঁদাবাজ প্রধঅনমন্ত্রীর বিদেশী বিনিয়োগে নতুন করে যোগ হবে।

একদিকে একশ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ী নেতারা জুটেছে আপনার মন্ত্রীসভায়, অপরদিকে এই এনার্জি সেক্টরেও প্রচন্ড অসাধু চক্র দেশের মানুষের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। সবকিছু মিলিয়ে চলছে লুটপাটতন্ত্রের ব্যবসায়িক রাজনীতি।

বিগত অবৈধ ইউনুস সরকারের সময়েও করেছে তার বশংবদরা, তার আগে করেছে আওয়ামীলীগের নাম ভাঙ্গিয়ে কিছু ব্যবসায়ী রাজনীতিবিদ। এখন করছেন মি: প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান ।

আসলে শুরু করেছিলাম বঙ্গবন্ধুকে হারানোর দিনটিকে নিয়ে। আবার নানা কারনে সে প্রসঙ্গ থেকে সরে গেছি। কেউ হয়তো বলবেন- ১৫ আগষ্টতো চলে গেছে অনেক আগে। এখন সে প্রসঙ্গ কেন?

এ কারণেই সে প্রসঙ্গ যে, বাংলাদেশ- বঙ্গবন্ধু- আওয়ামীলীগ-১৫ আগষ্ট সব তো একসূত্রে গাঁথা। একটিকে বাদ দিয়ে অপরটিকে কল্পনাওতো করতে পারবেননা। ইতিহাসের ধারাবাহিকতকাতো এটাই।

এর আগেও সেই ’৫২, ’৫৪, ’৬২,’৬৬, ’৬৯ সহ আরো কিছু  ঐতিহাসিক ঘটনাবলীর যোগসূত্র রয়েছে যা ইতিহাসের অত্যন্ত মূল্যবান দলিল বা টার্নিং পয়েন্ট।

কিন্তু এ সবকে তো একাত্তরের পরাজিত অপশক্তি জামায়াতে ইসলামী ও তাদের বাই প্রোডাক্ট গার্বেজ  এনসিপি বা টোকাই জঙ্গীর দলটি পুরো অস্বীকার করে নতুন ন্যারেটিভ খাওয়াতে চায় জাতিকে।

এরা তোতা পাখির মতো বুলি আউড়ে নানাভাবে তরুণ ও কিশোর প্রজন্মকে বিভ্রান্ত করতে চাইছে।

অবশ্য তারা অনেকটা করতে সফলও হয়েছে, কারন সবইতো ডলার-ইসলামের বটিকা-হিরোইজম-কেপ্টাগন সেবন-ইতিহাসের বিকৃতি প্রচার ইত্যাদি ইত্যাদির কারণে।

গত ২০২৪ এর রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর ১৫ আগস্টের রাষ্ট্রীয় কর্মসূচি বা শোক দিবস পালনে বাধা দেওয়া বা এটি বাতিল করার পেছনে প্রধানত রাজনৈতিক প্রতিশোধ পরায়নতা  এবং কর্তৃত্ব খর্ব করার মানসিকতা কাজ করছে তীব্রভাবে।

যা কখনোই গণতান্ত্রিক রাজনীতির জন্য সহায়ক নয়।  ১৫ আগস্টকে পালন করতে না দেয়া বা রাষ্ট্রীয়ভাবে উদযাপন না করার মাধ্যমে নতুন ক্ষমতাসীন গোষ্ঠীগুলো এটি প্রমাণ করতে চায় যে, বাংলাদেশে এখন আর মুক্তিযুদ্ধের স্থপতিকে স্বীকার করেনা।

আরে মূর্খের দল তোমরা স্বীকার করলেই কি আর না করলেই কি বঙ্গবন্ধু-মুক্তিযুদ্ধ আওয়ামীলীগকে ইতিহাস থেকে মুছে ফেলা যাবে?  এর ফলে কি হবে?

১. দেশের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে দূরত্ব ও প্রতিহিংসা আরও বাড়বে। এটি একটি স্থায়ী রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার জন্ম দিতে পারে।

২.স্বাধীনতার মূল স্থপতিকে কেন্দ্র করে যখন বিতর্ক তৈরি হয়, তখন সাধারণ জনগণের মধ্যেও এক ধরণের মানসিক বিভাজন তৈরি হয়, যা জাতীয় ঐক্যের পরিপন্থী।

৩. ক্ষমতার পরিবর্তনের সাথে সাথে পাঠ্যপুস্তক এবং রাষ্ট্রীয় মাধ্যমে ইতিহাস পরিবর্তনের যে সংস্কৃতি বাংলাদেশে রয়েছে, তা আরও তীব্র হবে। এর ফলে তরুণ প্রজন্ম প্রকৃত ইতিহাস নিয়ে বিভ্রান্তিতে পড়বে।

শেখ হাসিনা দেশে ফিরবেন এ ঘোষণা দেয়াতেই দুই তৃতীয়াংশের বেশি  সংসদীয় আসন নিয়ে সরকারে থাকা বিএনপির প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির ঘুমতো হারাম হয়েছেই। পাশাপাশি ডায়রিয়াও শুরু হয়ে গেছে। আর যেদিন তিনি আসবেন সেদিন যে তাদের কি অবস্থা হবে সেটিই   ভাবছি।

একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের ইতিহাস এবং তার প্রতিষ্ঠাতাদের সম্মান জানানোর প্রক্রিয়াটি রাজনৈতিক সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বে থাকা উচিত। ইতিহাসকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করলে সাময়িক সুবিধা পাওয়া গেলেও, তা দীর্ঘমেয়াদে রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা, সহনশীল রাজনৈতিক সংস্কৃতি এবং আন্তর্জাতিক মর্যাদাকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।

বাংলাদেশের অগ্রযাত্রার জন্য সকল পক্ষের মধ্যে রাজনৈতিক সহনশীলতা এবং ইতিহাসের সর্বসম্মত অধ্যায়গুলোর প্রতি ন্যূনতম শ্রদ্ধা বজায় রাখা জরুরি।

ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক নেতা সোহেল হায়দার চৌধুরী তার এক সহযোদ্ধাসহ গত ১৫ আগষ্ট সকালে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে গিয়ে কি পরিস্থিতির স্বীকার হয়েছিলেন তা তার মুখ থেখেই শুনি। তিনি লিখেছেন-

“শোকপ্রকাশ ও শ্রদ্ধাজ্ঞাপনের স্বাধীনতা চাই…”

তার বয়ানে- ‘ আমি ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) সাবেক প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক রাজু হামিদ সকালে গিয়েছিলাম ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে।

সড়কটির মোড়ে; যেখানে সান্তুর রেস্টুরেন্ট ছিল, সেখানে আমরা দু’জন মৌনভাবে কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকলাম। এরই মধ্যে ২/৩ মিনিট সময় কাটলো। ভাবছিলাম, সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে পুলিশকে বলে কাঁটা তার ডিঙ্গিয়ে ভেতরে ঢুকবো কিনা?

এরই মধ্যে দুই ষণ্ডা কিছুটা দূরে আমাদের কয়েক ফুট পেছনে এসে দাঁড়ালো। চাদর পরা এক ষণ্ডা সড়কের এক কোণ থেকে আমাদের উপর নজর রাখছে। ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ স্লোগান লেখা গেঞ্জি পরা এক ষণ্ডা আমাদের দিকে চোখে চোখ রেখে এগিয়ে আসছে। বুঝতে পারছি বিপদ আসছে।

সেখানে থাকা একজন ফটো সাংবাদিক আমাদের সতর্ক করে বললো, ‘দ্রুত সরে যান। এখানে জাতীয় নাগরিক পার্টির (জানাপা) ও ইনকিলাব মঞ্চের কয়েকজন নেতা-কর্মী অনেককে নাজেহাল করেছে। কাউকে কাউকে পুলিশের হাতে দিয়েছে। আপনাদেরও টার্গেট করেছে।’

আমরা তখন দেখছি, আরও কিছু ষণ্ডা-পাণ্ডা চারপাশ থেকে টার্গেট ফিক্সড করে এগোচ্ছে। আমি এবং রাজু দু’জনই একটু দ্রুত হেঁটে নাগরিক টিভির গাড়ির সামনে দাঁড়ালাম। ওই ষণ্ডা-পাণ্ডাদের দু’জন তখনও আমাদের পিছনে মাত্র ৫ ফুট দূরে দাঁড়িয়ে। বাইক নিয়ে একজন এসে ঠিক আমাদের পাশে দাঁড়ালো।

আমরা দ্রুত সরে রাস্তার উল্টো পাড়ে এলাম। কয়েক সেকেন্ড ঝিম মেরে থেকে রাজুকে বললাম ঝটপট কয়েকটা ছবি তোল। রাজু সেলফোনে দু’টো ক্লিক করতেই দেখি ষণ্ডা-পাণ্ডাদের নজরদারি তখনো চলছে। সেলফোন পকেটে গুঁজে দ্রুত স্থান ত্যাগ করা ছাড়া আর কোনো উপায় ছিল না।

সেই থেকে ভাবছি, যে মানুষটির নেতৃত্ব-নির্দেশনা ও পরিকল্পনায় দেশটা স্বাধীন হওয়ায় আজ বুক ফুলিয়ে স্বদেশের মাটিতে সব স্তরের নাগরিক চলতে পারছে, সেই দেশে সেই মহান নেতা বঙ্গবন্ধুকে শ্রদ্ধা জানাতেও বাধা দেওয়া হচ্ছে।

শুধু এবার নয়, এ নিয়ে তিন বছর (২০২৪, ২০২৫, ২০২৬) বাধা দেওয়া হচ্ছে জাতির জনকের প্রতি শ্রদ্ধাজ্ঞাপনে।

ভাবছি, এমন এক দেশে আমরা বাস করছি, যেখানে শোক বা শ্রদ্ধাজ্ঞাপনের অধিকার বা স্বাধীনতাটুকু নাই। এমন বাংলাদেশ কি আমরা চেয়েছিলাম !

# ইশরাত জাহান: লেখক,প্রাবন্ধিক ও নারী অধিকার সংগঠক।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *