জ্বীন-পরি-ভূত-পেত্নী’র ভয় এ বাংলার গ্রামগঞ্জে একসময় বেশ ছিল। এখনো আছে। কিন্তু শহুরে মানুষদের মধ্যে এসবের ভয় অনেকটা কম ছিল। কারণ বোধ হয় একটাই। শিক্ষা।
তার ওপর শহরে বিদ্যুৎ রয়েছে, গ্রামেতো তখন বিদ্যুৎ ছিলনা তাই বোধ হয় কোন ছায়া দেখলেও ভয় পেতো মানুষ। নিজের ছায়াকেই অনেক সময় গ্রামের এমনকি শহুরে অল্পশিক্ষিত নাগরিকরাও ভয় পেতো। সেটিকেই সেই ‘জ্বীন-পরি-ভূত-পেত্নী’ মনে করতো অনেক। অবশ্য এখনো যে করেন সেটিও দেখি আমরা ।
তো আমাদের সেই চব্বিশের “নতুন করে স্বাধীনতা আনার জঙ্গী বিপ্লবীরা” যারা নাকি বুকের রক্ত দিয়ে এদেশের মানুষের মুক্তি-স্বাধীনতা-বাকস্বাধীনতা এনে দিয়েছেন তারা কোথায় এখন? এই কি বাক স্বাধীনতা নমুনা যা চলছে দেশে?

আর তাদের পেছনে ইন্ধনদাতা ও সহযাত্রী জঙ্গী সেনাবাহিনীর সিপাহসালার আলহ্বাজ মাওলানা পীরে কামেল জে: ওয়া কার উজ –জামানসহ এখনকার ‘রংধনু সমাজ-রাষ্ট্র’ গঠনের সরকার বোধ হয় নিজেদের ছায়া দেখেই ভয়ে অস্থির হয়ে আছেন।
তো সেই জ্বীন-পরি-ভূত-পেত্নী’র আছর কাটাতে তারা কোন হুজুর-গাছা’র স্মরণাপন্ন হচ্ছেন সেটাই ভাবছি। যতদুর বুঝতে পারছি তাদের হুজুর-গাছা হচ্ছে “ক্যাঙ্গারু আদালত” আর “তথ্য মন্ত্রণালয়” ও তারেক রহমানে তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। অবশ্য স্বনামধন্য (!) এই জাহেদ সাহেব কিছুদিন আগে দিল্লি থেকে অনেকটা চরম অসম্মানিত হয়ে ফেরত আসতে বাধ্য হয়েছিলেন।
সরকারি লোক হয়েও বেসরকারি পাসপোর্ট নিয়ে ঢুকতে চেয়েছিলেন দিল্লীতে একটি ইন্টারন্যাশনাল সেমিনার-সিম্পোজিয়ামে। কিন্তু তিনি তার নিজস্ব ইউটিউব চ্যানেলে প্রচন্ড ভারতবিরোধী বক্তব্য রেখেছেন এর আগে, ফলে ভারত সরকার স্বাভাবিকভাবেই তাকে কালো বা লাল তালিকাভুক্ত করে রেখেছিল। ফলে এই অতি সম্মানিত অপদেষ্টার আঁতে কিছুটা ঘা লেগেছিল।
কিন্তু তিনি দেশে ফিরে তেমন কোন উচ্চবাচ্য করেননি। কেন করেননি সেটি আর নাই বা বললাম। পাঠক আপনারাই বুঝে নিন। বাংলাদেশের কিছু বশংবদ সংবাদমাধ্যম এ নিয়ে রাজনীতির খোলা গরম করতে চাইলেও তা করতে পারেনি।
তো যে কথা দিয়ে শুরু করেছিলাম-জ্বীন-পরি-ভূত-পেত্নী’র কথা দিয়ে সেখানেই ফিরে যাই। সেই কথিত জুলাই বিপ্লবের বীরপুঙ্গবদের মনে হচ্ছে তাদের ঘাড়ে আওয়ামীলীগ-শেখ হাসিনা’র গরম নিঃশ্বাস পড়ছে। আর সেটিতেই তারা ভয়ে কম্পমান।
বে-দিশা হয়ে পড়েছেন মান্যবরগণ। একটি দল দেশে নিষিদ্ধ। তার সভানেত্রীকে আপনারা মানে “বাংলাদেশের দেশপ্রেমিক সশস্ত্র বাহিনী” বিশেষ বিমানযোগে সম্মানে দিল্লীতে রেখে এলেন।

আর তারপর থেকেই আপনারা অপপ্রচার করে বেড়াচ্ছেন- তিনি (মানে সাংবিধানিকভাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা) দেশ থেকে পালিয়ে গেছেন।
রেখে আসলো বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী, কিন্তু গোয়েবলসীয় কায়দার প্রচার করা হচ্ছে শেখ হাসিনা পালিয়ে গেছেন।
আপনাদের মত এমন ‘গন্ডমুরুখ্য’ তো আর দেখেছি বলে মনে হয়না। সসম্মানে কাউকে নিরাপদে পৌঁছে দেয়া আর পালানোর ফারাক যারা বোঝেনা তাদের নিয়ে কথা বলে সময় নষ্ট করাটাও বৃথা। অবশ্য আপনাদের স্বভাবইতো মিথ্যের আশ্রয় নিয়ে চলা।
তো সশস্ত্র বাহিনীর যেসব অফিসার শেখ হাসিনাকে ভারতে রেখে এলেন নিয়মানুযায়ী তো তাদের সামরিক আদালতে কঠোর শাস্তি হওয়া দরকার। আর সশস্ত্র বাহিনীর তিন প্রধানগণেরওতো চরম শাস্তি হওয়া প্রয়োজন ছিল। কই তার কোন কিছু কি হয়েছে? হয়নি।
তাহলে আপনারাইতো সশস্ত্র বাহিনীর সব নিয়ম কানুন মানে চেইন অব কমান্ড ভেঙ্গেছেন। দেশের সংবিধানকে মানেননি আপনারা সংবিধান রক্ষার শপথ নিয়েও।
হে মহান দেশপ্রেমিক সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যগণ, আপনারাতো পবিত্র কোরআন শরীফ হাতে নিয়ে দেশ ও সংবিধান রক্ষার শপথ নেন যতদূর জানি। তো এক্ষেত্রে কি করলেন আপনারা!?
তা এই যে ওয়াদা ভঙ্গকারি হিসেবে আপনারা সেই শ্রেষ্ঠ বিচারক মহান আল্লাহতালার কাছে চিহ্নিত হলেন সে বিচার কি ইহজগতে হবে নাকি হাশরের ময়দানে দেবেন?
আমার ক্ষুদ্র বুদ্ধিতে যতটুকু বুঝি আপনাদের এই চরম অপরাধের কিছু বিচারতো একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের রক্তস্নাত এই বাংলার মাটিতেই ভোগ করতে হবে। বাকীটাতো সেই শেষ বিচারের দিন হাশরের ময়দানে আপনারা আল্লাহপাকের কাছে দেবেন।
‘জ্বীন-প্রেত-ভূত-পেত্নী’-র কাহিনী আর শেষ করতে পারছিনা মোটেই। কারণ আজ সেই ভয়াল ৫ আগষ্ট। ২০২৪ সাল। যেদিন সারা বাংলাদেশের সব থানা লুট করেছিলো একদল জঙ্গী সন্ত্রাসী।

সাড়ে দিন হাজারেরও বেশি পুলিশ সদস্য যাদের মধ্যে অন্তঃসত্ত্বা নারী পুলিশ মা-ও ছিল। আগুনে পুড়িয়ে পৈশাচিকভাবে হত্যা করেছিলেন আপনারা হে ঝুলাই জঙ্গী যোদ্ধারা। আমাদের পুলিশ ভাইদের হত্যা করেই ক্ষ্যান্ত হননি আপনারা। তাদেরকে উল্টো করে ঝুলিয়ে রেখেছিলেন। মনে পড়ে সেসব নৃশংস-মধ্যযুগীয় বিভৎসতার কথা ?
তো এই “ঝুলাই বিপ্লব” এর সবচেয়ে বেশি সুবিধাভোগী সুদি ইউনুস কই? ওনাকে আজ ৫ আগষ্ট আপনারা ডাকবেন না আপনাদের মহান অনুষ্ঠানে অতি সম্মানিত অতিথি হিসেবে? কারণ তিনিতো নাকি আপনাদের মহা-মান্যবর ত্রাতা ছিলেন। হায়রে ত্রাতা।

ইতিহাস শুধু চেয়ে আছে কার অবস্থান কোথায় হয় তা বিচারের জন্য।
আতংকে কম্পমান “রংধনু সরকার” আর তাদের কথিত “জুলাই যোদ্ধারা”।
দিল্লীতে অবস্থানরত ও নির্বাসিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশবাসীর উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখবেন এমন একটি খবর প্রচার হওয়াতেই ভয়ে আতংকিত হয়ে গেছে সরকার ও তার বশংবদেরা।
তিনি অডিও বা ভিজ্যুয়াল বক্তব্য দেবেন সেটি নিশ্চিত না হলেও তার প্রতিক্রিয়া চিন্তা করে নাওয়া-খাওয়া-ঘুম হারাম হয়ে গেছে “রংধনু সরকার” আর তাদের কথিত “ জুলাই যোদ্বাদের”। নাকি তারা নিজের ছায়াকেও ভয় পাচ্ছেন?
অনেক আগে কার্ল মার্কসের লেখা ছোট একটি বই পড়ার সৌভাগ্য হয়েছিল। তাতে প্রথমেই সম্ভবত লেখা ছিল – “ইউরোপ ভূত দেখেছে কমিউনিজমের ভূত।”
তো এখনকার বিএনপি সরকার ও তাদের দোসর জঙ্গী ইসলামী গোষ্ঠী-ওয়া-কার-উজ-জামান বাহিনীও কি আওয়ামীলীগ তথা শেখ হাসিনার আদর্শের ভূত দেখেছে। সেই কল্পিত ভূতের আতংকে তারা কম্পমান হয়ে পড়েছে?
আগষ্টের ৫ তারিখ শেখ হাসিনাসহ আওয়ামীলীগের কয়েকজন নেতা বক্তব্য রাখার কথা দিল্লীতে। ঠিক তার আগের দিন ৪ আগষ্ট বাংলাদেশের রাজনীতিকে ভূমিকম্প বয়ে যাচ্ছে।
মনে হচ্ছে সে ভূমিকম্প কতক্ষণ পর পরই তাদেরকে কম্পিত করে তুলছে। যে দলটির নেত্রী দেশে নেই, যে দলটি দেশে সংসদের মাধ্যমে আইন করে নিষিদ্ধ করলেন আপনারা সবাই মিলে “গণতান্ত্রিকভাবে (!!) , যে দলের হাজার হাজার নেতা-সদস্য কারাগারের প্রকোষ্ঠে সীমাহীন অত্যাচারের শিকার, খুন করে ফেলেছেন অনেককে।
প্রাণভয়ে পালিয়ে দেশান্তরী অনেক নেতা। তাদেরকেই আপনাদের এত ভয়? এত আতংক তৈরী করে দিয়েছে?
বাংলাদেশের সংবাদ মাধ্যমের ওপর না হয় নিষেধাজ্ঞা দেয়া হলো। কিন্তু বিদেশী সংবাদমাধ্যমের ওপর কি সরকারের নিয়ন্ত্রণ আছে? সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ওপর কি নিয়ন্ত্রণ আর হুমকি-ধামকি দিয়ে বন্ধ করতে পারবেন শেখ হাসিনার বক্তব্য ?
না পারলে এখানে এক উষ্মা দেখিয়ে নিজেদেরকে হাসির পাত্র করছেন কেন ? অবশ্য আপনারা যে ক্লাউন তাতো অনেক আগেই বুঝেছে দেশবাসী। নাকি আপনারা নিজেদের ছায়ার সাথে যুদ্ধ করবেন সেই কল্পিত-“জ্বীন-পরি-ভূত-পেত্নী’র ভয়ে !?
তার মানে কি দাঁড়ালো?
আসলে আপনারা বুঝতে পেরেছেন যে- এই দলটির ও তাদের নেত্রী শেখ হাসিনার বিপুল জনপ্রিয়তায় আপনারা খড়-কুটোর মতো ভেসে যাবেন যদি তারা একযোগে আবার দেশে নামেন মানুষের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ফিরিয়ে তা বাস্তবায়নে। তাই তো?
নাহলে আপনাদের এত বিশাল সামরিক-বেসামরিক জঙ্গী বাহিনী দেশে। তার ওপর আপনাদের পেয়ারের ডিপস্টেটের দেশ আমেরিকা-বড়ভাই পশ্চিম পাকিস্তান- নতুন ইসলামী ব্রাদার তুরষ্কসহ আরো ইসলামী দেশ থাকতে এত কাঁপাকাঁপি কেন বলুনতো ?

হঠাৎ করে ৪ আগষ্ট ক্যাঙ্গারু আদালতের প্রধান কৌসুলী মো. আমিনুল ইসলাম আবারো সাংবাদিকদের বললেন- “শেখ হাসিনার বিদ্বেষমূলক বক্তব্য আপনারা (গণমাধ্যম) প্রচার করবেন না। বাকি বক্তব্য প্রচার করতে আইনগত বাধা নেই।”
নিজ কার্যালয়ে মঙ্গলবার সাংবাদিকদের কাছে এমন মন্তব্য করলেন। তার কথায় কেমন যেন একটু নত সুর শোনা গেলো।
তা হলো-চব্বিশের আন্দোলন দমাতে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ফাঁসির দণ্ড পাওয়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারে ‘ঢালাও কোনো নিষেধাজ্ঞা’ না থাকার কথা বলেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রধান কৌসুলী মো. আমিনুল ইসলাম। ক্যাঙ্গারু ট্রাইব্যুনালের আদেশের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে দুই বছর ধরে ভারতে থাকা শেখ হাসিনাকে ‘শুধু বিদ্বেষমূলক বক্তব্য’ দেওয়া থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে।
এই প্রসিকিউটর সাহেব আরেক দফা গলার স্বর নরম করে বললেন- “তাকে কিন্তু উনার বক্তব্য বলতে বারণ করা হয় নাই। শুধু বলা হয়েছে বিদ্বেষমূলক বক্তব্য বা হেট স্পিচ । যদি উনি স্বাভাবিক কথাবার্তা বলেন, ওইটার ওপর তো আমাদের কোনো নিষেধাজ্ঞা নাই।” আর গণমাধ্যমের উদ্দেশে তিনি বলেন, “শেখ হাসিনার বিদ্বেষমূলক বক্তব্য বা হেট স্পিচ আপনারা প্রচার করবেন না। বাকি বক্তব্য প্রচার করতে আইনগত বাধা কোথায়?”
কিন্তু এদিকে আবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহিদ উর রহমান বাংলাদেশের সাংবাদিক ও সংবাদ মাধ্যমকে ধমক দিয়ে বললেন-শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার করলে ‘আইনগত ব্যবস্থা’।
“আমরা আগেরবার একটা সতর্কতা দিয়েছিলাম। আবার স্মরণ করিয়ে দিচ্ছি এটা যেন কেউ না করে।” তথ্য মন্ত্রণালয়ে নিয়মিত ব্রিফিংয়ে ৪ জুলাই তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।
২০২৪ এর ৫ আগষ্ট সরকার বদলের পর বাংলাদেশের মানবতাবিরোধী অপরাধে ফাঁসির দণ্ড মাথায় নিয়ে ভারতে নির্বাসনে থাকা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার দুই বছর পর প্রথমবার কোনো অনুষ্ঠানে ভার্চুয়াল মাধ্যমে যুক্ত হতে যাচ্ছেন বলে খবর দিয়েছে ভারতের একটি সংবাদমাধ্যম।
এ নিয়ে নাওয়া-খাওয়া-ঘুম হারাম হয়ে গেছে সরকার ও ঝুলাই যোদ্ধাদের।
২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী বিশেষ বিমানযোগে শেখ হাসিনাকে ভারতে পৌঁছে দেয়ার পর ওই বছরের ডিসেম্বরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গণমাধ্যম ও সামাজিক মাধ্যমে তার বক্তব্য প্রচারে নিষেধাজ্ঞা জারি করে।
ইতিমধ্যে শেখ হাসিনা দিল্লি থেকে যাতে কোনো রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে বা কর্মকাণ্ড না চালাতে পারে, সে বিষয়ে ভারতের সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির।
সোমবার (৩ আগষ্ট) ঢাকায় ভারতীয় হাই কমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে এ সহযোগিতা চান তিনি। এরপর মঙ্গলবার তথ্য উপদেষ্টার তরফে এই সতর্কতা এল।
লেখাটি যখন লিখছিলাম তখন একটি বিখ্যাত গান বার বার মনে পড়ছিল। ‘মরুতীর্থ হিংলাজ’ চলচ্চিত্রের বিখ্যাত গান ‘তোমার ভুবনে মাগো এত পাপ’ গেয়েছেন হেমন্ত মুখোপাধ্যায়, যার কথা লিখেছেন গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার। গানটির মূল কথার কয়েকটি চরণ তুলে ধরলাম–
“তোমার ভুবনে মাগো এত পাপ,
এ কি অভিশাপ, নাই প্রতিকার?
মিথ্যারই জয়, আজ সত্যের নাই তাই অধিকার।।”
তবে যত বাধাই আসুক, সমাজ-সভ্যতার ইতিহাস বলে- সত্যের জয় অবশ্যম্ভাবী।
# রাকীব হুসেইন: লেখক, প্রাবন্ধিক।
