ঢাকা: ‘দক্ষতা বাড়ানোর’ প্রশিক্ষণ নিতে পাকিস্তান যাচ্ছেন সরকারের উচ্চপদস্থ ১২ কর্মকর্তা। তা যে দেশ নিজের জনগণের মুখে অন্ন তুলে দিতে পারেনা, সে দেশ দক্ষতা বাড়ানোর প্রশিক্ষণ দেবে? পাকিস্তানের বোমা তৈরি, জঙ্গী তৈরি ছাড়া আর কোন প্রশিক্ষণ জানা আছে?

প্রশিক্ষণ নিতে যাবেন পাকিস্তানে? পাকিস্তান যাচ্ছেন, উচ্চতরের জঙ্গি ট্রেনিং নিতে ১২ কর্মকর্তা!

পাকিস্তানে এমন কি আছে? যার কারণে উচ্চ পর্যায়ে ট্রেনিং নিতে পাকিস্তান যেতে হচ্ছে?

পাকিস্তান আর বাংলাদেশের সাথে বিমান চালু করে, অস্ত্র আর জঙ্গিদের আনাগোনা বেড়ে গেছে। এখন আরো হয়তো কিছু বাকি আছে, সেগুলো সম্পূর্ণ করাই উদ্দেশ্য! ভাড় ম্যায় যায়ে মুক্তিযুদ্ধ!

দেশটির লাহোরের ‘সিভিল সার্ভিসেস একাডেমিতে’ ৪ মে থেকে ২১ মে পর্যন্ত এই উচ্চ প্রশিক্ষণ হবে বলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অফিস আদেশে বলা হয়েছে।

গত ৩০ এপ্রিলের ওই অফিস আদেশে একজন অতিরিক্ত সচিব ও ১১ যুগ্ম সচিব পদের কর্মকর্তাসহ ১২ জনের নাম লেখা রয়েছে।

তালিকায় কারা কারা আছেন?

প্রশিক্ষণের জন্য মনোনীত কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছেন একজন অতিরিক্ত সচিব এবং ১১ জন যুগ্ম সচিব পর্যায়ের কর্মকর্তা:

১. সালমা সিদ্দিকা মাহতাব, অতিরিক্ত সচিব, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ।
২. মো. মোস্তফা জামাল হায়দার, মহাপরিচালক (যুগ্ম সচিব), বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।
৩. মো. আবু রায়হান মিয়া, যুগ্ম সচিব, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
৪. মো. ফিরোজ আহমেদ, যুগ্ম সচিব, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
৫. মো. তৌফিক ইমাম, যুগ্ম সচিব, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
৬. মো. তৌফিক ইমাম, যুগ্ম সচিব, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
৭. মো. রায়হান আখতার, যুগ্ম সচিব, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
৮. এ.এফ.এম. এহতেশামুল হক, যুগ্ম সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
৯. মো. শামসুল হক, যুগ্ম সচিব, স্থানীয় সরকার বিভাগ।
১০. মো. মুহাম্মদ আব্দুস সালাম, যুগ্ম সচিব, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
১১. ড. মো. জিল্লুর রহমান, যুগ্ম সচিব, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়।
১২. জিয়া আহমেদ সুমন, এমডিএস (যুগ্ম সচিব), বিসিএস প্রশাসন একাডেমি।

বিনা পয়সায় তাদের বাবার কাছে যাচ্ছেন ১২ জন।

কারণ পাকিস্তান নিজের গর্জে, সব খরচা দিয়ে তাঁদের নিয়ে যাচ্ছে। বুঝতে পারছেন তো?

প্রশিক্ষণের সমস্ত ব্যয় পাকিস্তান সরকার বহন করবে। বাংলাদেশ সরকারকে এই সফরের জন্য কোনো আর্থিক দায়ভার গ্রহণ করতে হবে না।

এতে শর্তাবলিতে বলা হয়েছে– কর্মকর্তারা ৪ মে নিকটবর্তী সুবিধাজনক সময়ে পাকিস্তানের উদ্দেশে যাত্রা করবেন।

এই প্রশিক্ষণের সময় এবং যাতায়াত ও ট্রানজিটে ব্যয়িত সময় দাপ্তরিক দায়িত্ব হিসেবে গণ্য হবে। তারা স্থানীয় মুদ্রায় তাদের বেতন-ভাতা নেবেন; প্রশিক্ষণের সব ব্যয় পাকিস্তান সরকার বহন করবে; এ সফরের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোনো ব্যয় বাংলাদেশ সরকারকে বহন করতে হবে না।

অনুমোদিত সময়সীমার অতিরিক্ত কর্মকর্তারা বিদেশে অবস্থান করতে পারবেন না।

প্রশিক্ষণ শেষে দেশে ফিরে কর্মকর্তারা তাৎক্ষণিকভাবে নিজের নিজের কর্মস্থলে যোগদান করবেন।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *