ঢাকা: দেশে যে মব থামেনি, দেশে যে হত্যা থামেনি, দেশে যে ধর্ষণ থামেনি- একথা বলতেও ভয়, হয়তো ধরেই নিয়ে যাবে। হয়তো বললেও মব সৃষ্টি করে মেরে ফেলা হবে।
বলতে পারবেন, এখন কয়টা স্বাভাবিক মৃত্যু হয়? সব মব, নয়তো হত্যা, ধর্ষণ-এভাবেই মারা হচ্ছে মানুষকে।
বিভিন্ন ধর্মাবলম্বী যার যার ধর্মীয় রীতিনীতি অনুযায়ী পরম স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে মৃত ব্যক্তিকে সমাহিত করে। এ নিয়ম রোধ করার সাধ্য আছে কার?
কিন্তু আছে ৫ আগস্ট এর পরে নরঘাতক নরপিশাচ বেঈমান ইউনুস গংয়ের। ইউনূস গেছে, ইউনূসের আদর্শ যায়নি।
দেশে এখন ভয়াবহ জানাজা আতঙ্ক চলছে যেখানেই আওয়ামী লীগের নেতা কর্মী সমর্থকদের মৃত্যুর পরে নামাজের জানাজা অনুষ্ঠিত হয় সেখানেই মব সন্ত্রাসীদের রাজত্ব ও পুলিশি অভিযান চলে। এগুলো কী?
প্রকৃত অর্থে দেশ আইয়ামে জাহেলিয়া যুগে ফিরে এসেছে।
এই মে মাসেই সারা দেশে মব সহিংসতা এবং গণপিটুনিতে ৩১ জন এবং রাজনৈতিক সহিংসতা ও দলীয় কোন্দলে ৫ জনসহ মোট ৩৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। হয়তো সংখ্যাটা আরো বেশিও হতে পারে।
এছাড়াও রাজনৈতিক সহিংসতায় আহত হয়েছেন ২৮৯ জনেরও বেশি মানুষ। মানবাধিকার সংগঠন ‘হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটি (এইচআরএসএস)’ ২০২৬ সালের মে মাসের মানবাধিকার পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
শুক্রবার (৫ জুন) গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সংস্থাটি জানায়, দেশের ১৬টি জাতীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ এবং এইচআরএসএস-এর সংগৃহীত তথ্য ও ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং রিপোর্টের ভিত্তিতে এই প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে মব সহিংসতা ও গণপিটুনির ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলা হয়, মে মাসে চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, বাকবিতণ্ডা, আধিপত্য বিস্তার ও ধর্মীয় অবমাননার মতো নানা অভিযোগে ৬৬টি গণপিটুনির ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় অন্তত ৩১ জন নিহত এবং ৬৮ জন আহত হয়েছেন।
এদিকে, সাংবাদিক নির্যাতনও কমছে না। মে মাসে ৩৯টি ঘটনায় ৭৮ জন সাংবাদিক নির্যাতন ও হয়রানির শিকার হয়েছেন। এর মধ্যে ৪২ জন আহত ও ১৮ জন লাঞ্ছিত হয়েছেন।
