ঢাকা: শয়তান, জঙ্গী জামাতি ভিতরে ভিতর শয়তানি করেই চলেছে। সেই মরিয়মকে মনে আছে আপনাদের? এতদিনে হয়তো ভুলে গেছেন?
এটা সেই মরিয়ম যাকে গাজী নজরুলের সাথে আপত্তিকর অবস্থায় দেখা যায় এবং তাকে ২য় স্ত্রী দাবি করেছিলেন তিনি। ঠিক ৫০১ এর মতো ঘটনা।
এতদিনে তো কোনো খোঁজখবর ছিলো না।এতোদিন খবরের পাতার বাহিরে ছিলো।অবশেষে মৃত্যু। সেই মরিয়মকে খুব সম্ভবত মেরে ফেলা হয়েছে।
আত্মহত্যা তো হবেই না এটা, পরিকল্পিত খুনের সম্ভাবনাই বেশি!
জামায়াতের এমপি গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী’র মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তাঁর দেহ ঝুলে ছিল। মেয়েটাকে শেষ করে দেয়া হলো।
মেয়েটা এমপি নজরুলের বয়সের প্রায় চার ভাগের এক ভাগ। মেয়েটার একটা চাকরির প্রলোভনে শারীরিক সম্পর্ক ও পরে বিয়ের ব্যাপার সামনে আসে।
এই বাচ্চা মেয়েটা আজ পৃথিবী ছাড়া হলো!
আত্মহত্যা বলা হচ্ছে। আ’ত্ম’হ’ত্যা হলেও এটা তো খুনই। গরিবের মরে যাওয়ার যে নিয়তি সে নিয়তিই শুধু থেকে যাবে। এরা কেবল এইসব জামাতিদের খোরাক ছাড়া আর কিছু নয়।
ঘটনাটা নিয়ে ইতিমধ্যে তোলপাড় শুরু হয়েছে।
রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের ন্যাম ভবন থেকে সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য জিএম নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মোছা. মরিয়ম খাতুনের (১৯) মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় তৈরি হয়েছে নতুন নাটকীয়তা ও গভীর রহস্য।
নিহত মরিয়মের মামা ওবায়দুর রহমান একে সাধারণ আত্মহত্যা মানতে পারছেন না; তিনি সরাসরি এটিকে ‘হত্যাকাণ্ড’ বলে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন।
উল্লেখ্য, ওবায়দুর রহমান এমপি গাজী নজরুলের সাবেক গাড়িচালক ও ব্যক্তিগত সহকারী ছিলেন। তবে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের জের ধরে পরবর্তীতে তিনি নজরুলের সাথে সব ধরনের যোগাযোগ বন্ধ করে দেন।
মরিয়মের মরদেহ উদ্ধারের পর প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে চরম ক্ষোভ ও আবেগাপ্লুত কণ্ঠে ওবায়দুর রহমান গণমাধ্যমকে জানান, “মরিয়ম আমার মেয়ের মতো। ওর লেখাপড়ার সব খরচ আমি দিতাম। এই নজরুলের জন্য আমার সেই মেয়ের এমন অবস্থা হলো। এটা আমি কীভাবে সহ্য করব।”
বলেন, “বিয়েটা হয়েছিল জোর করে। গাজী নজরুল যে অনৈতিক কাজ করেছে, এটা আমি সহ্য করতে পারিনি।”
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) রাতে ন্যাম ভবনের ৫ নম্বর বিল্ডিংয়ের ৩য় তলার ২০৩ নম্বর ফ্ল্যাট থেকে ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধারের পর সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম এবং তার প্রথম স্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
এটি আসলেই পরিকল্পিত কোনো ‘হত্যাকাণ্ড’ নাকি ‘আত্মহত্যায় প্ররোচনা’—এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তদন্ত শেষ না করে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।
উল্লেখ্য, জামায়াত নেতা গাজী নজরুল চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে মরিয়মের সাথে রাজধানীর মগবাজারের একাধিক হোটেলে নিয়মিত মিলিত হতেন। মেয়েটার একটা চাকরি প্রয়োজন ছিলো।
অবশেষে বিষয়টা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের কারণে ভাইরাল হয়ে গেলে; গাজী নজরুল অনেকটা অপারগ হয়েই মরিয়মকে দ্বিতীয় স্ত্রীর মর্যাদা দিতে বাধ্য হন।
কিন্তু দ্বিতীয় স্ত্রী হিসেবে নজরুলের সংসারে মরিয়ম চরম অপমান এবং অবজ্ঞার শিকার হন।
মরিয়ম আসলেই আত্ম*হ*ত্যা করেছেন নাকি তাকে মা*রার পর ফ্যানের সাথে ঝুলিয়ে রেখে আত্ম*হ*ত্যা হিসেবে চালিয়ে দেয়ার অপচেষ্টা করা হচ্ছে — সেটা তদন্তের মাধ্যমেই বের হয়ে আসবে।
মুখে ইসলাম এবং আল্লাহ ও রাসূলের কথা বললেও মুনাফেক জামায়াতে ইসলামী এবং তাদের অনেক নেতারাই এমন অসহায়, গরিব নারীদের থেকে নানা প্রলোভনে অনৈতিক সুবিধা নেয়ার চেষ্টা করেন।
ভন্ড এই রাজনৈতিক দলের ভণ্ডামির স্রেফ একটি উদাহরণ গাজী নজরুল। এরকম বহু গাজী নজরুল জামায়াতে ইসলামীতে আছে।
