ঢাকা: হাসনাত আবদুল্লাহ সংসদে বলেছেন এক টাকার দুর্নীতির প্রমাণ দিতে পারলে সংসদ থেকে পদত্যাগ করবে। কিন্তু তাঁর চুরি করা বস্তার হিসাব দেবে কে?
ত্রাণের ১০ কোটি টাকার হিসাব কে দেবে?
এবার পচা ডিম খাওয়া হাসনাত আবদুল্লাহ বলছেন, মানুষের প্রত্যাশা তারা পূরণ করতে পারেনি। তা ইঙ্গিতে কি বোঝাচ্ছে? পূরণ করার জন্য কি আরেকটা জঙ্গী আন্দোলন চায় তারা?
হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেছেন, ‘জুলাইয়ের পক্ষের শক্তি হিসেবে আমরা মানুষের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারিনি। চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানে যাঁরা রক্ত দিয়েছেন, সেই রক্তের দায়িত্ব আমরা যথাযথভাবে পালন করতে পারিনি।’
বৃহস্পতিবার বিকেলে ফেনীর সোনাগাজী পৌরসভা চত্বরে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আয়োজিত জুলাই পদযাত্রার উদ্বোধনী সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই কথা বলেন।
কী বলেছেন আরেকটু দেখি:
হাসনাত বলেন, দেশে এখনো মাদক, দুর্নীতি ও চাঁদাবাজি পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। বেকারত্ব কমেনি, দ্রব্যমূল্যের চাপও কমেনি। তাঁর দাবি, গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে নতুন সরকার এলেও সমাজ ও রাষ্ট্রের বিভিন্ন পর্যায়ে বিভাজনের রাজনীতি এখনো বিদ্যমান।
দলের দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘এসি গাড়িতে বসে, এসি বাসায় থেকে জনগণের কষ্ট বোঝা যায় না। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এলাকা হচ্ছে মাদকের হাট। আমরা রাজনীতি এবার রাজনীতিবিদদের জন্য কঠিন করতে এসেছি।’
আবদুল্লাহ বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের অন্যতম কারণ ছিল বেকারদের কর্মসংস্থানের দাবি। কিন্তু এখনো বেকারদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।
