নাটোর: অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটেছে। ইউনূসের আমলে যেসব নির্যাতন হয়েছে, সেসব আবার ফিরেছে, বিশেষ করে উৎপাত বেশি শুরু হয়েছে শেখ হাসিনার আসার বার্তা প্রায় নিশ্চিত’এর পর।
নাটোরের গুরুদাসপুরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতা সাবেক প্রাণী সম্পদ প্রতিমন্ত্রী প্রয়াত সংসদ সদস্য অধ্যাপক আবদুল কুদ্দুসের বাড়িতে পৈশাচিক হামলার ঘটনা ঘটেছে ।
বাড়ির গেটের কাচের জানালা, সিসিটিভি ক্যামেরা ও বৈদ্যুতিক বাতি ভাঙচুর করা হয়।
রবিবার (৯ আগস্ট) গুরুদাসপুর পৌরসভার কাচারীপাড়া মহল্লায় অবস্থিত আবদুল কুদ্দুসের বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে।
এর আগে শনিবার (৮ আগস্ট) রাতে নাশকতার মামলায় কারাগারে থাকা গুরুদাসপুর পৌর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম সবুজ ফকিরের বাড়িতে লুটপাটের ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে পরিবার।
মানুষ ধিক্কার জানাচ্ছে এই ঘটনার। সরকার একদম চুপ।
উল্লেখযোগ্য যে, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল কুদ্দুস নাটোর-৪ (গুরুদাসপুর-বড়াইগ্রাম) আসনের ৬ বারের এমপি এবং প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী।
২০২৩ সালের ৩০ আগস্ট রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। তাঁর বাড়িতে হামলার একটি সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, ২৫ থেকে ৩০টি মোটরসাইকেলে করে একদল শয়তান, রাজাকার বাড়িটির সামনে এসে গেটে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকে। তারা বাড়ির ভেতরেও ইটপাটকেল ছোড়ে। এতে কয়েকটি কাচের জানালা ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
এই হামলার বিষয়ে সাবেক প্রতিমন্ত্রীর ছেলে আসিফ আবদুল্লাহ বিন কুদ্দুস শোভন জানান, বর্তমান পরিস্থিতিতে তাঁরা বাড়িতে থাকতে পারছেন না।
এই ঘটনায় থানায় কোন অভিযোগ করেননি।
আবদুল কুদ্দুসের ছেলে আসিফ আব্দুল্লাহ বিন কুদ্দুস আরো বলেন, ‘গত কয়েকদিন ধরে আমি ফেসবুকে বিদ্যুতের দুরাবস্থা নিয়ে লিখেছি। আমার ধারণা, এই আক্রোশে বিএনপির লোকজন আমাদের বাড়িতে হামলা করেছে। এটা খুবই নিন্দনীয় কাজ। আমার বাবা ২৫ বছর ক্ষমতায় ছিলেন। আমরা এ ধরনের কাজ করিনি। করলে এলাকায় বিএনপি জামায়াত বসবাস করতে পারতো না।’
