ঢাকা: শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে অবৈধ আইসিটি ট্রাইব্যুনালের অবৈধ রায় এবং এই অবৈধ ট্রাইব্যুনাল বাতিলের দাবিতে আজ ১ জুলাই বুধবার দেশব্যাপী বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ মিছিলের ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ।
এর আগেও আওয়ামী লীগ, দেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের জনগণ এবং প্রবাসী বাংলাদেশিরা বিবৃতি দিয়ে অবৈধ দখলদার খুনি ইউনূসের অবৈধ আইসিটি ট্রাইব্যুনালে বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন, এবং রায় ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছেন।
ইউনূসের সময় যেমন গিয়েছিলো তেমনি যাচ্ছে তারেক রহমানের সময়।
সব হচ্ছে সাজানো। সাক্ষী-সাবুদ নিয়ে জনগণের চোখে ধুলা দেওয়ার জন্য নাটকের অভিনয় চলছে।
আওয়ামী লীগ বিবৃতি দিয়েছে।
বিবৃতিতে লেখা হয়,
সফল রাষ্ট্রনায়ক বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার গৃহীত পদক্ষেপ ও রাষ্ট্র পরিচালনার নীতির কারণে বাংলাদেশ বিশ্বের বুকে একটা মর্যাদাশালী রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে অভূতপূর্ব সাফল্য লাভ করে।
স্বল্পোন্নত দেশ থেকে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হয়। জনগণের ভাগ্যোন্নয়নই ছিল মূল লক্ষ্য। তার বিপরীতে দেখেছি দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র।
গণবিরোধী সন্ত্রাসী গোষ্ঠী একের পর এক মানুষ হত্যা করে শেখ হাসিনার উপর দায় চাপানোর ফ্রেম তৈরি করে।
জননেত্রী শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিকভাবে সুষ্ঠু তদন্তের দাবি করলেও ষড়যন্ত্রকারীরা সেদিকে আগায় না। আমাদের ন্যায়বিচার ও আইনের শাসনের দাবির বিপরীতে দেখি রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস।
রাষ্ট্র যখন বিশেষ গোষ্ঠীর কবলে পড়ে বিচারালয় হয়ে যায় তাদের অবৈধ ইচ্ছা-অভিলাষ বাস্তবায়নের নিষিদ্ধপল্লী।
জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার মিছিলে চলে নির্বিচারে হামলা। আধুনিক রাষ্ট্র ব্যবস্থাকে টেকসই করতে আমাদের গণসচেতনতা প্রতিষ্ঠার বিপরীতে দেখি মবসন্ত্রাস।
আজকের বাংলাদেশ এক বিপন্ন অরক্ষিত জনপদ। দেশের জনগণ তাদের প্রতিদিনকার জীবনে সকল কিছুর সাক্ষী।
তাদের জান ও মালের কোনো নিরাপত্তা নেই। অবৈধ দখলদার খুনি-ফ্যাসিস্ট ইউনূস গংদের ধারাবাহিকতায় বর্তমান সরকার জনগণের নিরাপত্তার বিধান না করতে পারলেও বিরুদ্ধ মতের উপরে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস চালাতে সিদ্ধহস্ত।
বিভিন্ন জায়গায় দস্তখত দিয়ে ক্ষমতায় আসা সরকার কখনো জনগণের কল্যাণ করতে অক্ষম। সেই অক্ষমতা ঢাকতে তারা সন্ত্রাসের পসরা সাজিয়েছে।
যে গোষ্ঠী রাষ্ট্রকে দানবীয় করে তুলেছে তাদের পরাজিত করা ব্যতীত কল্যাণকামী মানবিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়।
এই অপশক্তিকে পরাজিত করে এবং তাদের দুঃশাসনের দম্ভকে চূর্ণ করে আগামীর মানবিক রাষ্ট্র বিনির্মাণই আমাদের অঙ্গীকার।
প্রিয় দেশবাসী আপনার প্রত্যক্ষ করেছেন, জোর জবরদস্তিমূলকভাবে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করে রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে দলননীতি ধারণা করে কী পরিমাণ অত্যাচার নির্যাতন চালানো হচ্ছে।
বিচারের নামে প্রহসন করা হচ্ছে। অবৈধ ও অসাংবিধানিকভাবে ট্রাইব্যুনাল প্রতিষ্ঠা করে অবৈধ রায় প্রদান করা হচ্ছে। গণকণ্ঠস্বরের প্রতীক জননেত্রী শেখ হাসিনার কণ্ঠস্বর রুদ্ধ করতে তাঁর বিরুদ্ধে অবৈধভাবে ফাঁসির রায় দেওয়া হয়েছে।
দেশকে ও দেশের জনগণকে বাঁচাতে অবৈধ ও অসাংবিধানিক ট্রাইব্যুনাল এবং সেটার রায়ের বিরুদ্ধে সকলকে সোচ্চার হতে হবে।
বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনাসহ অন্যান্যদের বিরুদ্ধে প্রদত্ত অবৈধ রায় এবং অবৈধ আইসিটি ট্রাইব্যুনাল বাতিলের দাবিতে ১ জুলাই সারাদেশে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ মিছিল কর্মসূচি দিয়েছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ।
