ঢাকা: শোনা যায় শুধু মানবতাবিরোধী অপরাধ? আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা মানবতাবিরোধী অপরাধ করেছেন!? তা কেউ কেউ করতেই পারেন! তবে জামাত শিবির, জঙ্গী ইউনূস যে এত মানুষ মারলো, হামে শিশুগুলো মরছে- তাদের বিচার কোথায়? এগুলো মানবতাবিরোধী কাজ নয়? এক যাত্রায় পৃথক ফল কেন?
মৃত্যুদণ্ড দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিকে বিনাশ করা যায়? বলুন?
২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে সংঘটিত বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমনে মানবতাবিরোধী অপরাধ ও গণহত্যার মামলায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ জন শীর্ষ নেতাকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল তথা ক্যাঙ্গারু ট্রাইব্যুনাল।
এবং একই সাথে আদালত তাঁদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করারও নির্দেশ দিয়েছে।
আজ মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এই ঐতিহাসিক রায় ঘোষণা করেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অপর ৬ জন হলেন:
* মোহাম্মদ আলী আরাফাত (সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী)
* আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম (আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক)
* শেখ ফজলে শামস পরশ (যুবলীগের চেয়ারম্যান)
* মাইনুল হোসেন খান নিখিল (যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক)
* সাদ্দাম হোসেন (ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি)
* শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান (ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক)
সব রায় হয়ে যাচ্ছে, অথচ দোষ কী সেটাই খবর নেই।
রায়ে বলা হয়েছে, জুলাই-আগস্টের আন্দোলন দমনে আসামিরা সমন্বিতভাবে নির্দেশ, প্ররোচনা এবং উস্কানিমূলক বক্তব্য নাকি দিয়েছিলেন।
এবং নেতাকর্মীদের রাজপথে নামিয়ে সশস্ত্র হামলা, কঠোর দমন-পীড়ন এবং গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে দেশজুড়ে ব্যাপক হত্যাযজ্ঞ ও সহিংসতা চালিয়েছেন, যা মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে।
হায়রে বিচার!
