ঢাকা: চিন থেকে যুদ্ধবিমান কিনবে বাংলাদেশ। মানুষের জীবন বাঁচানোর থেকেও, হামে শিশুর মৃত্যু ঠেকানো থেকেও বাংলাদেশের জন্য এখন বড় হয়ে দাঁড়িয়েছে যুদ্ধবিমান কেনা!

সেই দেশ সফরে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি এই বিষয়ে চিন সরকারের সঙ্গে কথা বলবেন।

জানা গিয়েছে, ২৪টি J-10CE যুদ্ধবিমান কেনার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে সেই সংক্রান্ত চুক্তি এখনই চূড়ান্ত না হয়ে আগস্টে হতে পারে।

উল্লেখযোগ্য যে,  Chengdu J-10CE এই যুদ্ধবিমানটি চিন রপ্তানি করে থাকে। পাকিস্তানের কাছেও আছে এই যুদ্ধবিমান।তারাও চিনের কাছ থেকেই কিনেছিল।

বিষয়টার ওপর ভারতের দৃষ্টি থাকবে এটাই স্বাভাবিক। কারণ অপারেশন সিঁদুরের সময় এই বিমানই ব্যবহার করেছিল পাকিস্তান।

ভারতের SU-30MKI, Sepecat Jaguar বা রাফালের মতো প্রচণ্ড শক্তিশালী বিমানগুলির মুখোমুখি হতে হয়েছিল সেগুলিকে।

WS-10B আফটারবার্নিং টার্বোফ্যান ইঞ্জিন দ্বারা চালিত এই বিমানটি Mach 1.8 গতিতে চলতে সক্ষম।

এই যুদ্ধবিমানটি অনেকগুলি অস্ত্র বা পেলোড বহন করতে পারে।

২৫ জুন চিনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের সঙ্গে বৈঠক করবেন তারেক রহমান। ২৬ জুন বৈঠক করবেন প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে।

সেখানেই যুদ্ধবিমান কেনার বিষয়টি চূড়ান্ত হয়ে যাবে বলে খবর মিলেছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এর ফলে ভারতের সামনে আকাশপথে দ্বিমুখী লড়াইয়ের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। ফলে বিষয়টার দিকে ভারতের কড়া নজর রয়েছে।

জানা গেছে, প্রতিটি অত্যাধুনিক চীনা যুদ্ধবিমানের আনুমানিক বাজারমূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে প্রায় ৪ কোটি বা ৪০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *