ঢাকা: ইউনূসের আমল থেকে এখনো আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগের অগুণতি নেতাকর্মী চিকিৎসার অভাবে কারাগারে মারা গিয়েছেন। সেসবের বিচার নেই।
আবার কারাগার থেকে বের হবার সাথে সাথেও কেউ কেউ মারা যাচ্ছেন।
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সকল স্তরের নেতৃবৃন্দ জঙ্গিগোষ্ঠীর পরিকল্পিত নির্যাতন নিপীড়নের শিকার।
অসংখ্য জাতীয় ও স্থানীয় নেতাকর্মীরা বীরদর্পে কারাবরণ করেছেন। অসংখ্য নেতাকর্মী আত্মরক্ষার তাগিদে দেশ ছেড়েছেন। অসংখ্য নেতাকর্মী আত্মরক্ষার্থে দেশে আত্মগোপনে আছেন।
যারা এলাকায় আছেন তারাও প্রতিনিয়ত হামলা মামলার ভয়ে এখনো কোণঠাসা হয়ে আছেন।
বাংলাদেশ ছাত্রলীগ শেরপুর সরকারি কলেজ শাখার সাধারণ সম্পাদক ও জেলা ছাত্রলীগের সক্রিয় সদস্য আব্দুল কুদ্দুস মোয়াজ মারা গেছেন।
বুধবার (৬ মে) ভোরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
রাজনৈতিক মামলায় দীর্ঘ সাত মাসেরও বেশি সময় কারাভোগের পর এক সপ্তাহ আগে জামিনে মুক্তি পান তিনি।
চব্বিশের জুলাইয়ে ছাত্র হত্যা মামলায় চার্জশিটভুক্ত আসামি ছিলেন তিনি।
তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন বলে জানা গিয়েছে।
আব্দুল কুদ্দুসের মৃত্যুতে পরিবার ও রাজনৈতিক অঙ্গনে গভীর শোকের সৃষ্টি হয়েছে।
জেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এবং শোক বার্তার মাধ্যমে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।
