ঢাকা: হিন্দু হওয়ার অপরাধ- কারাগার, জেলের ঘানি টানা। মিথ্যা মামলায় দিনের পর দিন শাস্তি,‌আপনি জেলে মারাও যেতে পারেন! কিন্তু বিচার হবে না।

অবশ্য চাঞ্চল্যকর দিপু চন্দ্র দাস হত্যা মামলার অন্যতম আসামি মো. মাসুম উচ্চ আদালত থেকে এক বছরের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন পেয়ে যান।

আর মিথ্যা মামলায় সনাতনী চিন্ময় প্রভু বছরের পর বছর কারাগার ভোগ করেন।

এবার কারাগারে আটক সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে মাত্র একটি মামলায় জামিন দিয়েছেন আদালত। তবে এটি আদতে কোনো জামিনই নয় বলতে গেলে।

অনেকেই বিভ্রান্ত হচ্ছেন। মনে করেছেন চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের সব মামলায় জামিন হয়েছে। আসলে তা নয়। এখনো বহুদূর যেতে হবে।

আজ বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শাখাওয়াত হোসেন শুনানি শেষে জামিনের আদেশ দেন। তবে তাঁর বিরুদ্ধে আইনজীবী হত্যাসহ আরও ছয়টি মামলা রয়েছে।

যে মামলায় তিনি জামিন পেয়েছেন, সেটির বাদী পার্বত্য চট্টগ্রাম ও ভূমি প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনের বাবা, সাবেক মন্ত্রী মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন।

চট্টগ্রামের হাটহাজারীর মেখলে এলাকায় জমি দখল, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও মারধরের অভিযোগে মামলাটি করা হয়েছিল।

আদালতের বেঞ্চ সহকারী মিজানুর রহমান বলেছেন, চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের পক্ষে জামিনের আবেদন করা হলে আদালত তা মঞ্জুর করেন।

চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারী একটি মামলায় জামিন হলেও লড়াই শেষ নয়! বাংলাদেশ সনাতন পার্টি (BSP)-এর প্রতিষ্ঠাতা ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সুমন কুমার রায় জানিয়েছেন, শ্রীমৎ চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীর বিরুদ্ধে এখনও একাধিক মামলা চলমান।

সামনে আরও কঠিন সময় ও আইনি লড়াই রয়েছে।

শুধুমাত্র সি আর ৪৯১/২৩ মামলায় শ্রীমৎ চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীর জামিন মঞ্জুর হয়েছে অন্য মামলাগুলো প্রক্রিয়াধীন।

যা নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে রয়েছেন তার অনুসারীরা।

বিশেষজ্ঞ মহল মনে করছেন, একের পর এক মামলায় তাঁকে বিদ্ধ করা হলেও আইনি পন্থায় সত্য উদঘাটনের প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে।

দেশজুড়ে তার অনুসারীরা আদালতের এই আদেশের দিকে নজর রাখছেন এবং বাকি মামলাগুলোতেও দ্রুত ন্যায়বিচার ও জামিনের প্রত্যাশা করছেন।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *