জামালপুর: জামালপুর জেলা কারাগারে অসুস্থ হয়ে আওয়ামী লীগ নেতা এস এম জিয়াউল হক জিয়া মারা গেছেন।

১৪ এপ্রিল রাত নয়টার দিকে জিয়াউল হক ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

জিয়াউল হক দিগপাইত ডি কে উচ্চবিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির দায়িত্বেও ছিলেন।

তবে এই মৃত্যু অবহেলার কারণে হয়েছে। পরিবারের লোকেরা ক্ষুব্ধ এই ঘটনায়।

এস. এম. জিয়াউল হককে নির্যাতন করে বিনা চিকিৎসায় কারা অভ্যন্তরে হত্যার অভিযোগে উঠেছে। ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ বিবৃতি দিয়েছে।

বিবৃতিতে লেখা হয়েছে:

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ করছে যে, জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও বিশিষ্ট কৃষিবিদ এস. এম. জিয়াউল হককে কারা অভ্যন্তরে নির্মম নির্যাতন করে বিনা চিকিৎসায় হত্যা করা হয়েছে।

আওয়ামী লীগ বলে, খুনি-ফ্যাসিস্ট ইউনূস সরকারের ধারাবাহিকতায় বর্তমান সরকার হত্যা ও ষড়যন্ত্রের রাজনীতি চলমান রেখেছে। কারাগার পৃথিবীর অন্যতম নিরাপদ স্থান। সেই স্থানে একের পর এক হত্যাকাণ্ড ঘটে চলেছে৷

এটা মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী প্রগতিশীল রাজনৈতিক ধারার নেতাকর্মীদের পরিকল্পিত হত্যা করার মিশন।

এ ধরনের ন্যক্কারজনক ঘটনা দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও কারা নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে চরমভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করে।

কারাগার, যেখানে একজন ব্যক্তি রাষ্ট্রীয় হেফাজতে থাকেন, সেখানে এ ধরনের হত্যাকাণ্ড কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় এবং এটি একটি ভয়াবহ নিরাপত্তা ব্যর্থতার দৃষ্টান্ত।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনে করে, এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা দরকার। একইসঙ্গে, বিগত দিনে ঘটে যাওয়া ঘটনাসমূহের পূর্ণাঙ্গ ও নিরপেক্ষ তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।

যদি তা না হয় তবে আমরা দৃঢ় প্রত্যয়ের সঙ্গে বলতে চাই, অদূর ভবিষ্যতে শুধু কারা অভ্যন্তরে হত্যাকাণ্ড সকল অন্যায়-অবিচারের বিচার বাংলার মাটিতে হবেই হবে, ইনশাল্লাহ।

আওয়ামী লীগ নিহত কৃষিবিদ এস. এম. জিয়াউল হকের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করে।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *