ঢাকা: কারাবন্দী অবস্থায় আওয়ামী লীগ নেতাদের মৃত্যুর মিছিল দীর্ঘ হচ্ছে। কারাগার হয়ে উঠেছে যেন মৃত্যুপুরী। জামালপুরে আরও এক আওয়ামী লীগ নেতার প্রাণহানি।
এই ঘটনা ফের নাড়া দিলো দেশকে। দেশের কারাগারগুলোতে বিচারপ্রক্রিয়া চলাকালীন বন্দিদের মৃত্যুর মিছিল থামছেই না।
জামালপুর জেলা কারাগারে বন্দি অবস্থায় মারা গেলেন জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য জিয়াউল হক জিয়া (জিয়া)।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) দিবাগত রাতে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
পরিবারের অভিযোগ এবং পরিস্থিতিও বলছে, রাষ্ট্রের হেফাজতে থাকা নাগরিকদের জীবনের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হচ্ছে বর্তমান ব্যবস্থা।
জিয়াউল হক জিয়া দুদকের একটি মামলায় গত ১৫ জানুয়ারি থেকে জামালপুর কারাগারে বন্দি ছিলেন।
তিনি অসুস্থই ছিলেন। বার্ধক্যজনিত নানা রোগ ও ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ছিলেন। কিন্তু কারাগারে তিনি সঠিক চিকিৎসা পাননি।
মঙ্গলবার দুপুরে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে প্রথমে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। কিন্তু ছুটির দিন হওয়ায় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের অভাব এবং প্রশাসনিক দীর্ঘসূত্রতায় তাঁকে শেষ মুহূর্তে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে পাঠানো হয়, যেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
পরিবারে এই মৃত্যু নিয়ে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।
জিয়াউল হক জিয়ার বয়স হয়েছিল ৬৭ বছর।
উল্লেখযোগ্য যে, ইউনূসের সময় থেকে দেশের কারাগারগুলোতে একের পর এক রাজনৈতিক নেতার মৃত্যু কোনো স্বাভাবিক ঘটনা নয়। এগুলো চরম অবহেলা।
