ঢাকা: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে একটা টালমাটাল অবস্থা চলছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা পরিষ্কার বলছেন, তারেক রহমান নিজের মেরুদণ্ড শক্ত রেখে কাজ করতে পারছেন না।

এদিকে, আগস্টের তৃতীয় সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রথম ভারত সফরের প্রস্তুতির মধ্যেই, ১৫ আগস্ট ডিরেক্টরেট জেনারেল অফ ফোর্সেস ইন্টেলিজেন্স (ডিজিএফআই)-এর ছয়জন কর্মকর্তা এক গোপন মিশনে ইসলামাবাদে রওনা হন।

এই বিষয়গুলো স্বাভাবিক মনে হচ্ছে না।

যাই হোক, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফরে যে জামাত শিবির এনসিপি বাধা দিচ্ছে এটাও পরিষ্কার।

তবে রহমানের ভারত সফর বাতিল হয়নি বলে জানালেন তাঁর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী।

ঢাকায় তিনি বলেছেন, বাংলাদেশ সরকার ভারতের জবাবের অপেক্ষায় আছে।

প্রধানমন্ত্রী ভারত সফরে যাচ্ছেন কি না—সংবাদমাধ্যমের এমন প্রশ্নের জবাবে সালেহ শিবলী বলেন, “আমরা তো বলিনি যে প্রধানমন্ত্রী যাচ্ছেন না। প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ব্যাখ্যা দিয়েছে। আমরা বলেছি যে, প্রধানমন্ত্রী দুটি বিষয় উত্থাপন করেছেন।”

গত রবিবার দেশের বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছিল, প্রধানমন্ত্রীর সফরের আগে তারা অনুকূল পরিবেশ প্রত্যাশা করে।

অনুকূল পরিবেশ বলতে শেখ হাসিনা এবং ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক  শরীফ ওসমান হাদীর হত্যাকারীদের প্রত্যর্পণের বিষয়ে স্পষ্ট আশ্বাস।

নয়া দিল্লির তরফে এখনও বাংলাদেশের বক্তব্যের বিষয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া দেওয়া হয়নি।

শেখ হাসিনা তো ইতিমধ্যেই ঘোষণা করেছেন তিনি ডিসেম্বরে দেশে আসবেন। ভারত খুব সম্ভবত শেখ হাসিনার ঘোষণা অনুযায়ী ডিসেম্বর পর্যন্ত স্বদেশে ফেরা নিয়ে অপেক্ষা করতে চায়।

তবে হাদীর হত্যাকারীদের ফেরাতে ভারত কোনও অনমনীয় অবস্থান নেবে না, এমন বার্তা ঢাকাকে আগেই দেওয়া হয়েছে। তারপরেও তারেক রহমান বিষয়টা নিয়ে দৌড়াদৌড়ি করছেন।

এই অবস্থায় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, বাংলাদেশের যা পরিস্থিতি তাতে ভারতের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক দরকার। সেটা না করে বাংলাদেশ গোয়ার্তুমি করছে, এটি খুব ভালো ফল আনবে না।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *