ঢাকা: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কন্যা জাইমা রহমানকে নিয়ে প্রথম থেকেই কুচক্রীমহল নোংরামি আর অশ্লীলতা ছড়াচ্ছে।
সম্প্রতি আরো নোংরামো বেড়ে গিয়েছে। ছবি এডিট করে জামাত শিবিরের নোংরা গোষ্ঠী যা ইচ্ছা তাই করছে। এমনকি পিতা তারেক রহমান এবং জাইমা রহমানকে নিয়েও বেশ কিছু খারাপ ছবি ইতিমধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল করা হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে আপত্তিকর ছবি ও পোস্ট ছড়ানোকে কেন্দ্র করে শাহবাগ এলাকায় তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি হয়।
এ ঘটনার প্রতিবাদে ও আইনি পদক্ষেপ নিতে ডাকসু নেতা এ বি জুবায়ের ও সাহিত্য-সাংস্কৃতিক সম্পাদক মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ শাহবাগ থানায় গেলে (যদিও এইসব বাহানা) ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের হামলার শিকার হন বলে জানা যায়।
জঙ্গী ইসলামী ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয় যে, ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা হঠাৎ তাদের ওপর হামলা চালায়।
বৃহস্পতিবার রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভিপি সাদিক কায়েমের সঙ্গে দেখা করার সময় আক্ষেপ আর তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সমাজসেবা সম্পাদক এ বি জুবায়ের।
বলেন, ‘ছাত্রলীগও কখনো এভাবে পেটায়নি।’
মনে আছে আপনাদের এই জুবায়েরকে ? একমাস আগে ৭ই মার্চের ভাষণ বাজানোর কারণে ছাত্রলীগের দুইজন কর্মী আর ইমিকে কিভাবে মব করেছিলো এই মোসাদ্দেক আর এবি জুবায়ের?
ছাত্রলীগের এক কর্মীকে মেরে আধামরা করেছিলো এই এবি জুবায়ের আর মোসাদ্দেক! ছাত্রলীগের রক্তে সেহরি করে ওরা। আর আজ প্রকৃতি তার প্রতিশোধ নিয়ে নিলো। তাদের রেকর্ডের শেষ নেই।
এবি জুবায়ের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আ ক ম জামাল উদ্দীন স্যারের সাথে মব করেছিলো, এই দেশ হয়তো ভুলে গেছেন কিন্তু প্রকৃতি ভুলে যায়নি।
মবস্টারের কপালে যখন মব জাস্টিস জোটে, তখন আমাদের কিছু বলার থাকে না।
শাহবাগে গণধোলাইয়ের শিকার জুবায়ের ও ‘দাঁতাল’, ইউরেনিয়াম বিজ্ঞানী মোসাদ্দেক!
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় রীতিমতো ‘মব জাস্টিস’-এর নামে ত্রাস সৃষ্টি করা ডাকসু নেতা জুবায়ের ও মোসাদ্দেক আলী ইবনে মোহাম্মদ এবার খোদ মবের শিকার হলেন।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় শাহবাগ থানার সামনে এই দুই নেতার ওপর হামলার ঘটনায় একদিকে যেমন সহিংসতার বিপজ্জনক চক্র ফুটে উঠেছে, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে দেখা গেছে এক ধরনের ‘তৃপ্তির হাসি’।
এটি তো মিথ্যা নয় যে, ৫ই আগস্টের পর থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আতঙ্কের নাম ছিল জুবায়ের ও মোসাদ্দেক।
তাদের নেতৃত্বে বহু শিক্ষক, শত শত ছাত্র কর্মচারীদের ওপর মব লেলিয়ে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
এরা হচ্ছে মাস্টারমাইন্ড। ছাত্রলীগের নাম যে বলেছে, এটাও খেলা।
অভিযোগ রয়েছে, জুবায়ের একজন নারী শিক্ষকের সঙ্গেও চরম অশোভন আচরণ করেছিলেন।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর রাজধানীর শাহবাগ থানার সামনে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের হামলায় গুরুতর আহত হওয়ার পর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
রক্তাক্ত অবস্থায় এ বি জুবায়ের ও মুসাদ্দিককে উদ্ধার করে শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) কক্ষে আশ্রয় দেওয়া হয়।
এক ঘণ্টারও বেশি সময় থানার ভেতরে অবরুদ্ধ থাকার পর পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহায়তায় থানা জামে মসজিদের ফটক দিয়ে তাদের নিরাপদে বের করে নেওয়া হয়।
উদ্ধারের পর তাদেরকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
