ঢাকা: বাংলাদেশের ই-পাসপোর্টে বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হচ্ছে। এবং সেটা যে জুলাই জঙ্গী, শিবিরের শাবক আবু সাঈদকে বসিয়ে, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে সরিয়ে হবে তা ভাবা যায়নি। তবে বিএনপি তো জামাতের এককালের ভাই। তাই তাদের আচরণ ভালো হবে সেটা আশাই কীভাবে করবো?

বিএনপির কাছে শেখ মুজিবুর রহমানের চাইতে বড় হয়েছে আবু সাঈদ। শিবির তাদের অনেক প্রিয়।

এসবের বড় অংশই আসলে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা এবং অপ্রয়োজনীয় কাজের খতিয়ান ছাড়া আর কিছুই নয়।

পাসপোর্ট থেকে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিসৌধ, রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে স্বাধীনতার স্তম্ভ, মডেল মসজিদ, বঙ্গবন্ধু সেতু (যমুনা সেতু), বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নভোথিয়েটার, বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট, পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল, নৌকাসহ কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের ছবি, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, দিনাজপুরের কান্তজিউ মন্দির এবং মেহেরপুরে মুজিবনগর সরকারের স্মৃতিসৌধের ছবি বাদ যাচ্ছে।

ই-পাসপোর্টে নতুন করে যুক্ত হচ্ছে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় রংপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদের দুই বাহু প্রসারিত করে দাঁড়িয়ে থাকা ছবি! ম্যাটিকুলাস ডিজাইনে আবু সাঈদকে মারা হয়, কোনো গুলিতে নয়।

এদিকে, পাসপোর্টে ঐতিহাসিক বঙ্গভবন, ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) জামদানি শাড়ি, জাতীয় ফল কাঁঠাল, জাতীয় মাছ ইলিশ, সুনামগঞ্জের টাঙ্গুয়ার হাওর, কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত (নৌকা বাদে), মৌলভীবাজারের মাধবকুণ্ড জলপ্রপাত, ঢাকার ঐতিহাসিক আহসান মঞ্জিল, কুমিল্লার শালবন বিহার, বান্দরবানের নীলগিরি পর্বত, রাজশাহীর আমবাগান, সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধ এবং নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে অবস্থিত ঐতিহাসিক পানামনগরীর ছবি স্থান পাচ্ছে।

এছাড়াও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে পাসপোর্টে আবারও যুক্ত হচ্ছে ‘ইসরায়েল ব্যতীত’ (এক্সসেপ্ট ইসরায়েল) শব্দবন্ধ। অর্থাৎ ইজরায়েল ছাড়া সব দেশে প্রযোজ্য।

কয়েক বছর আগে আওয়ামী লীগ সরকারের তুলে নেওয়া এই শর্ত পুনর্বহালের উদ্যোগ নিয়েছে বর্তমান বিএনপি সরকার।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *