ঢাকা: বিচারহীনতার বাংলাদেশে বিচারের বাণী নিভৃতে কাঁদে।
এই দেশে বিচার নেই। সেটা ধ্বংস হয়েছে ৫ আগস্টেই। এবং এখনো একই অবস্থায় চলেছে।
২০২৪ সালের ১৪ সেপ্টেম্বরে গুলশানে ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও সাবেক এমপি শাহে আলমকে মব করে জামাত বিএনপি এনসিপি পুলিশে দেয়।
এখন বরিশাল-২ (বানারীপাড়া-উজিরপুর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি শাহে আলমকে হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত।
সোমবার (৮ জুন) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সেফাতুল্লাহ এই আদেশ দেন।
সোমবার কারাগার থেকে শাহে আলমকে আদালতে হাজির করা হলে মামলার তদন্তের স্বার্থে তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করে পুলিশ। শুনানি শেষে আদালত আবেদন মঞ্জুর করেন।
মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই গুলশানের শাহজাদপুর এলাকায় আন্দোলন চলাকালে বিক্ষোভকারীদের ওপর গুলি চালানোর নাকি ঘটনা ঘটে।
কনফিডেন্স টাওয়ারের সামনে সংঘটিত ওই ঘটনায় ভ্যানচালক জব্বার আলী হাওলাদার গুলিবিদ্ধ হন। পরে ১১ ডিসেম্বর জব্বার আলী হাওলাদার বাদী হয়ে গুলশান থানায় মামলা করেন। এতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১০৯ জনকে আসামি করা হয়।
এই মামলার এজাহারে শাহে আলমের নাম না থাকলেও তাকে অজ্ঞাতনামা আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
