ঢাকা: মুক্তিযুদ্ধ মাথা নত করেনা হে! ৭১ এর পক্ষের প্রজন্ম শক্তি সাহস সঞ্চয় করবে রণাঙ্গনের বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী মত অসংখ্য বীর মুক্তিযোদ্ধাদের দেখে।
এই যে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি রাষ্ট্রের এমন আচরণ, তা কি সুস্থ প্রজন্ম তৈরি করতে পারবে? এগুলো দেখে কোনোদিন প্রজন্ম ভালো হবে? সম্মান শিখবে কোথা থেকে?
আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড়িয়েও সিংহহৃদয়ে বলতে পারেন- ফাঁসি দিয়ে দেন, আমি রেডি!
মৃত্যু যাকে ভয় দেখাতে পারে না, তাঁকে মানানো অসম্ভব। কাঠগড়ায় দাঁড়িয়েও এমন তেজস্বী বার্তা প্রমাণ করে—সত্যের তেজ কখনো ম্লান হয় না।
মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর পর সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ নেতা আবদুল লতিফ সিদ্দিকীকে হাতকড়া পরানোর বিষয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন তাঁর ছোট ভাই কাদের সিদ্দিকী।
হাতকড়াকে নববধূর চুড়ির সঙ্গে তুলনা করে তিনি বলেন, ‘এ নিয়ে কোনো কথা বলার নেই। এটা সরকার বুঝবে। আমাদের হাতে বহুবার হাতকড়া পড়েছে। আমরা খুব খারাপ কিছু মনে করি না। বিয়ের সময় মেয়ের হাতে চুড়ি যেমন দেওয়া হয়, আমরা তেমনই মনে করি।’
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি পরিষ্কার করে কথা বলেন।
কাদের সিদ্দিকী বলেন, নিষ্পাপ একজন মানুষকে অন্যায়ভাবে আসামি করায় প্রতিবাদ জানাতে এসেছি। আদালতে প্রত্যেক অভিযুক্ত কথা বলতে পারেন। এটা তাঁর অধিকার। লতিফ সিদ্দিকীও তেমন কথাই বলতে চেয়েছিলেন।
কিন্তু তাকে সুযোগ দেওয়া হয়নি। আমি মনে করি সম্মানী ব্যক্তিদের সম্মান দেওয়া উচিত।
লতিফ সিদ্দিকীর অভিযোগ নিয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, তাঁর বয়স ৮৭ বছর হয়ে গেছে। এখন যদি কোনো অপরাধের দায়ে (যা তিনি করেননি) তার ফাঁসি হয়, তাহলে আমরা সাদরে গ্রহণ করব। কারণ আল্লাহ তায়ালা তাকে তখন মুক্তি দেবেন।
প্রসঙ্গত, শাপলা চত্বরে গণহত্যার পরিকল্পনাকারী হিসেবে লতিফ সিদ্দিকীকে আসামি করা হয়েছে, এমন প্রশ্নে কাদের সিদ্দিকী বলেন, পরিকল্পনাকারী বলা যায় না।
কারণ তিনি ‘কিচেন কেবিনেটেও’ ছিলেন না। তিনি তখন পাটমন্ত্রী ছিলেন। পাট নিয়ে হত্যা চলে না। ওই সময় আওয়ামী লীগ ও শেখ হাসিনার কাছে কিছু ঘটনা নিয়ে বিতর্কিত ছিলেন তিনি।
