ঢাকা: প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী তথা আওয়ামী লিগের সভানেত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশ ফিরছেন। এমনটাই জানিয়ে দিলেন।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট তাঁকে বাধ্য করা হয় দেশ ছাড়তে। তিনি বলেইছিলেন যা কিছু হয়ে যাক, দেশ ছাড়বেন না। তারপরেও তাঁকে দেশ ছাড়তে হয়।
ক্যাঙ্গারু ট্রাইবুনালে হাসিনার বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ জারি করা আছে। কোনো দোষ না থাকলেও তাঁর বিরুদ্ধে হয়ে গেছে মারাত্মক ষড়যন্ত্র।
তবে শেখ হাসিনা নিজেই জানিয়েছেন, তিনি ও তাঁর দলের শীর্ষ স্থানীয় নেতারা, যাঁরা ভারতের আশ্রয়ে রয়েছেন, সবাই চলতি বছরের ডিসেম্বরে বাংলাদেশে ফিরে আদালতের কাছে আত্মসমর্পণের পরিকল্পনা করছেন।
একই সঙ্গে দেশে ফিরলে তাঁকে ফাঁসি দেওয়া হতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তিনি।
তিনি তো বঙ্গবন্ধুর কন্যা। লৌহ মানবী। মৃত্যুর পরোয়া করেন না। তাই জানালেন, মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত তিনি।
সম্প্রতি এক সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া সাক্ষাত্কারে হাসিনা জানিয়েছেন, তিনি গ্রেফতারি এমনকী মৃত্যুদণ্ডের জন্যও প্রস্তুত। কিন্তু তিনি হোমল্যান্ডে ফিরতে চান।
হাসিনা বলেন, ‘ওরা হয়তো আমায় গ্রেফতার করে হত্যা করবে। তবুও আমি যেতে চাই। আমার দলের নেতারা ও কর্মীদের উপর ভয়াবহ অত্যাচার চলছে। যদি আমার মৃত্যুও আসে, তাও আমি দেশের মাটিতেই মরতে চাই। যেখানে আমার মা-বাবার কবর রয়েছে, যেখানে আমার মা-বাবার রক্ত ঝরেছে।’
উল্লেখযোগ্য যে, শেখ হাসিনা ছাড়াও আওয়ামী লিগের নেতা ও বাংলাদেশের প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদউজ্জামান খান কমলের বিরুদ্ধেও মৃত্যুদণ্ডের আদেশ জারি করেছে ট্রাইবুনাল।
হাসিনার কথায়, ‘ঢাকার প্রশাসন আমাকে ফেরাতে বারবার ভারতকে চিঠি দিচ্ছে। আমি নিজেই যাব।’
