ঢাকা: ভারত-বাংলাদেশ কূটনৈতিক সম্পর্কে তৎপরতা তুঙ্গে উঠেছে। দফায় দফায় চলছে বৈঠক। ভারতের ‘র’ প্রধান পরাগ জৈন দেশে এসে গেলেন। ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর তো বৈঠক, সৌজন্য সাক্ষাৎ হচ্ছেই।
সব মিলিয়ে দেশের পরিস্থিতি ভাবগম্ভীর। আবহাওয়া কোনো কিছু বলতে চায়।
ঢাকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকের পর দিল্লিতে তড়িঘড়ি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে দেখা করলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী।
উল্লেখযোগ্য যে, সদ্য তারেক রহমানের সঙ্গে দীনেশ ত্রিবেদীর গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক সম্পন্ন হয়। সেই বৈঠকে তারেক রহমান শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের আর্জি জানিয়েছেন।
সোমবার (১০ আগস্ট) নয়াদিল্লি ফেরার আগে ঢাকায় তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেন ভারতের হাইকমিশনার। রবিবার তিনি রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
সোমবার সচিবালয়ে পৃথকভাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকে দীনেশ ত্রিবেদী ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির শুভেচ্ছা পৌঁছে দেন। একই সঙ্গে তিনি বাংলাদেশের সরকার ও জনগণের সঙ্গে ‘ইতিবাচক, গঠনমূলক ও ভবিষ্যতমুখী’ সম্পর্ক নিয়ে কাজ করার আগ্রহের কথা জানান।
এই বৈঠক শেষ করেই তড়িঘড়ি দিল্লি ছোটেন দীনেশ ত্রিবেদী।
মঙ্গলবারই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিনি।
মঙ্গলবার রাতে দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দীনেশ ত্রিবেদীর বৈঠকের খবর সামনে এসেছে। বৈঠকে কী বিষয়ে আলোচনা হয়েছে, সে নিয়ে সরকারিভাবে কোনও তথ্য সামনে আসেনি।
ফলে ঢাকার বৈঠক এবং পরবর্তী দিল্লি সফরের মধ্যে কোনও প্রত্যক্ষ যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা নিয়েও জল্পনা তৈরি হয়েছে। তবে সম্পর্ক যে থাকতেই পারে, তা বলছেন বিশ্লেষকরা।
তারেক রহমানের সাথে বৈঠকের পর দীনেশ ত্রিবেদী সংবাদমাধ্যমে ইতিবাচক বার্তা দিয়েছেন এবং দুই দেশের সম্পর্ক নিয়ে আত্মবিশ্বাসী তিনি।
তবে সূত্র জানায়, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দীনেশ ত্রিবেদীর বৈঠকে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক নিয়েই আলোচনা হয়।
বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নিতে চলমান কূটনৈতিক তৎপরতার অংশ হিসেবেই হাইকমিশনারের এসব বৈঠককে দেখা হচ্ছে।
