ঢাকা: দীর্ঘ ১৩ মাস কারাভোগের পর অবশেষে জামিনে মুক্তি পেয়েছেন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভী।

কম কষ্ট পেলেন না তিনি। আইভীর মতো মানুষকে ভুয়া মামলায় কারাগারভোগ করানো হলো।

একটি মামলায় জামিন হলে আরেকটি নতুন মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে যেভাবে তাঁকে এতদিন আটকে রাখা হয়েছিল, তা অত্যন্ত দুঃখজনক। প্রতিবাদ হয়েছে, হলে কী হবে?

যাই হোক এবার তাঁর মুক্তিতে স্বস্তি পেলো জনগণ।

তবে এমন গল্প শুধু আইভীর না। এমন হাজার হাজার আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের জীবনের।

রাজনীতির আদর্শ ও ভিন্নমতের কারণে আজো এমন বহু নেতা-নেত্রী মিথ্যা ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় বছরের পর বছর জেলে বন্দী হয়ে আছেন। বারবার জামিন পাওয়ার পরও নতুন মামলার চক্করে তাদের মুক্তি মিলছে না।

শোন এরেস্ট দেখিয়ে আবার কারাগারে নেয়া হচ্ছে। যেন চক্র ঘুরছে। জুলুম চলছে রীতিমতো।

সেলিনা হায়াৎ আইভী অবশেষে বাড়িতে ফিরেছেন।

বুধবার (৩ জুন) রাত সাড়ে ১২টায় নারায়ণগঞ্জ শহরের চুনকা কুটিরে ফেরার পর আইভী সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানান।

তিনি এমনটাই সম্মানীয় ব্যক্তি যে এত কষ্টের পরেও-জামিনের পর তিনি বলেন, বিচার বিভাগের প্রতি অসংখ্য কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি এবং বর্তমান সরকারের প্রতিও আমি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি।

বলেন, দেশবাসীর প্রতিও আমি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। আমি চাই সকলকে নিয়ে বাংলাদেশ সরকার গঠিত হোক। কারাগারে আমার মতো আরও অনেক মায়েরা আছে। যারা নিরপরাধ, আশা করি সরকার তাদের প্রতিও সদয় হবে।

এর আগে রাত ১০টার দিকে কাশিমপুর কারাগার থেকে মুক্তি পান তিনি। ২০২৫ সালের ৯ মে তাকে বাড়ি থেকে গ্রেপ্তারের পর হত্যা ও হত্যাচেষ্টাসহ ১২টি মামলা দেওয়া হয়।

আইভীর মুক্তির খবরে আনন্দে তাঁর বাড়ির সামনে লোকজনের ভিড় হয়। অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে সেখানে আগে থেকেই অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *