ঢাকা: জামাতের কর্মকাণ্ড দেখলে লজ্জায় মরে যেতে ইচ্ছে হয়। বৈশাখী শোভাযাত্রা নিয়ে বের হয়ে গেলো!
কেন এবার বৈশাখী শোভাযাত্রা করল? জামাত দেখেছে, বৈশাখের তথা মঙ্গল শোভাযাত্রার বিরোধিতা করেও বাংলার সংস্কৃতিপ্রিয় প্রজন্মকে দূরে সরানো যাচ্ছে না।
যতই বাধা দেয়া হচ্ছে ততই জোরালোভাবে বৈশাখ পালন হয়ে আসছে। ফলে নতুন কৌশল নিতে হয়েছে তাদের।
নিজেরাই করলো শোভাযাত্রা। অবশ্য মঙ্গল শোভাযাত্রা নয়, বৈশাখী শোভাযাত্রা। সরকারের সঙ্গে আঁতাতবদ্ধ হয়ে মঙ্গল শোভাযাত্রার মুছলমানি করে সেটাকে বৈশাখী শোভাযাত্রা করে নিয়েছে আগেই।
এবং বৈশাখী শোভাযাত্রার মাধ্যমে পয়লা বৈশাখ পালন করেছে তারা।
তারা আসলে বিভ্রান্ত করতে চাইছে মানুষকে। দেখাতে চাইছে তারা শোভাযাত্রা বিরোধী নয়। এটা হলো তরুণদের জামাত বানানোর একটা নিনজা টেকনিক। তরুণরা যাতে একটা ধন্দে পড়ে যে, জামাত তো বৈশাখবিরোধী নয়!
এই শয়তানের দিকে বহু তরুণ ঝুঁকেছে। জামাত তার কলাকৌশল প্রয়োগ করে মেধাবী তরুণদের নিজেদের দলে টেনেছে। আর তাদের দিয়ে কাজ করাচ্ছে। এখানে ওখানে সংস্কৃতি নয় জায়গায় হামলা চালাচ্ছে কৌশলে। যাতে মানুষ সহজে ধরতে না পারে।
সমাজের মগজ ধোলাই এই শয়তানেরা খুব ভালোভাবে করতে জানে। আর তাদের ফাঁদে পা দেয় তরুণরা।
আজ, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ‘দেশীয় সাংস্কৃতিক সংসদ’-এর ব্যানারে বর্ণাঢ্য র্যালি অনুষ্ঠিত হয়।
শোভাযাত্রা জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে থেকে শুরু হয়ে রমনা পার্কে গিয়ে শেষ হয়।
শোভাযাত্রায় জামায়াতে ইসলামীর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীসহ রাজধানীর নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
