ঢাকা: একটা মানুষকে কতটা নৃশংসভাবে হত্যা করা যায়! কি বীভৎস দৃশ্য। ভৈরব পৌর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক এবং কাউন্সিলর আল আমিন সৈকতকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে! এই নির্মমতার শেষ কোথায়?
আল আমিন সৈকতের মুখটা দেখতে পারবেন না পাঠক। কী বিভৎস করে দিয়েছে কুপিয়ে! কোনো সুস্থ মানুষের পক্ষে দেখা সম্ভব না। ফালা ফালা করে ফেলেছে চেহারা, নাক মুখ চোখ।
দুর্বৃত্তরা উপর্যুপরি নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে সৈকতকে।
হামলায় কিশোরগঞ্জের ভৈরব পৌরসভার সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও পৌর যুবলীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) সাধারণ সম্পাদক মো. আল আমিন সৈকত (৪০) নিহত হয়েছেন।
রবিবার (২৩ আগস্ট) রাত সাড়ে ১২টার দিকে ভৈরব শহরের টিনপট্টি এলাকায় দুর্বৃত্তরা সৈকতকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে।
তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
রবিবার রাতে ১২টার দিকে ভৈরব শহরের টিনপট্টি এলাকার গোপাল জিউর মন্দিরের সামনে আল আমিন সৈকতের ওপর হামলা চালায় একদল সন্ত্রাসী।
সৈকতকে এলোপাতাড়ি কোপায়। ষ পরে সৈকতকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেলে নেওয়ার পর চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
হয়তো আল আমিন সৈকত আওয়ামী লীগ করতেন। একজন ব্যক্তি হিসেবে তিনি তাঁর পছন্দের রাজনৈতিক দল করতেই পারেন। কিন্তু তাঁকে যেভাবে হত্যা করা হয়েছে, কোনো সুস্থ ও স্বাভাবিক মানুষ কখনো এমন নৃশংস কাজ করতে পারে না।
হাজারো মানুষের অশ্রুসজল ভালোবাসায় শেষ বিদায় নিয়েছেন ভৈরব পৌর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ও কাউন্সিলর মোঃ আল আমিন সৈকত। জনসমুদ্রের এই জানাজাই বলে দেয় তিনি মানুষের কতটা আপন ছিলেন।
