ঢাকা: বীর মুক্তিযোদ্ধা, সাবেক মন্ত্রী ও সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোঃ নজরুল ইসলাম চৌধুরী আজ ভোরে (আনুমানিক ভোর চারটা পনেরো মিনিটে) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গিয়েছেন।

তিনি একজন অত্যন্ত সজ্জন, বিনয়ী এবং মানবিক মানুষ ছিলেন। পাশাপাশি ছিলেন একজন সফল রাজনীতিবিদ।

এলাকার তৃণমূল জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে তিনি অসামান্য অবদান রেখেছেন।

তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা জ্ঞাপন করছেন বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আওয়ামী লীগের ফেসবুক পেইজে শেখ হাসিনার শোকবার্তাটি প্রকাশ করা হয়।

“সাবেক শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী এবং চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ-সাতকানিয়ার আংশিক) আসনের তিনবার নির্বাচিত সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মোঃ নজরুল ইসলাম চৌধুরী ৭৪ বছর বয়সে আজ ভোরে রাজধানীর একটি বেসরকারী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন (ইনা লিল্লাহি … রাজিউন)।

মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, দুই কন্যা ও এক ছেলে সহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। গণমানুষের কল্যাণে নিবেদিত এই জননন্দিত রাজনীতিকের মৃত্যুতে গভীর শোক ও শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি আমার গভীর সহানুভূতি জানাচ্ছি।

একাত্তরের রণাঙ্গনের বীরযোদ্ধা নজরুল ইসলাম চৌধুরীর মতো মহৎপ্রাণ রাজনীতিকের অভাব পূরণ হবার নয়।

দেশ ও মানুষের এই চরম প্রতিকূল সময়ে তাঁর মতো গণমানুষের নেতার আজকে খুব বেশি প্রয়োজন ছিল।

কিন্তু বিগত অসাংবিধানিক সরকারের সময়ে হত্যা সহ একাধিক মামলার আসামী হিসেবে ফেরারি জীবনে যথাযথ চিকিৎসা পাওয়ার মৌলিক অধিকার থেকেও বঞ্চিত ছিলেন।

যার ফলে আজকে বীর চট্টলার এই বীরের চিরবিদায়ের মতো দুঃসংবাদের নজির তৈরি হলো। এটি স্বাভাবিক মৃত্যু নয়, বরং ড. ইউনূসের প্রতিহিংসার শিকার হয়ে মৃত্যুবরণ।

শেখ হাসিনা আরো বলেন, প্রয়াত এই রাজনীতিকের স্বাধিকার থেকে স্বাধীনতা, অসহযোগ থেকে মুক্তির সংগ্রাম এবং স্বাধীন বাংলাদেশের সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনে তাঁর অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কর্মী হিসেবে তিনি ছিলেন অসাম্প্রদায়িক, প্রগতিশীল ও উদার গণতান্ত্রিক ব্যক্তিত্ব। আমি মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করি”।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *