ঢাকা: জামাতের পোষাপ্রাণী বাংলাদেশের ইউরেনিয়াম বিজ্ঞানী মব ইউনিটের সেক্টর কমান্ডার মোশাদ্দেকের জন্য বাংলা মাস শুরু হয় আষাঢ় মাস থেকে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মোসাদ্দেক ইবনে আলী মোহাম্মদ বাংলা ১২ মাসের নাম বলতে গিয়ে বিভ্রান্তিতে পড়েছেন।

অবশ্য এটি যে তার নাটক, এটা একদম পরিষ্কার। তিনি দেখাচ্ছেন, বাংলা কিছুই জানেন না। জানেন আরবি। বাংলা মাস উল্টোপাল্টা তো বলেছেন ই, এবং বলেছেন অত্যন্ত তাচ্ছিল্যভাবে।

পহেলা বৈশাখে এক আলাপচারিতায় তাকে বাংলা ১২ মাসের নাম জিজ্ঞেস করা হলে তিনি ধারাবাহিকভাবে ও পূর্ণাঙ্গভাবে মাসের নামগুলো বলতে ব্যর্থ হন।

১২ মাসের নাম বলতে গিয়ে মোসাদ্দেক বলেন, ‘আষাঢ়, জ্যৈষ্ঠ, শ্রাবণ, আশ্বিন, কার্তিক, পৌষ, মাঘ, অগ্রহায়ণ, ভাদ্র… হয়ে গেছে? হয়েছে? ফাল্গুন, ১২টা হয়েছে?’

পড়েন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। তবে দিল্লি না ঢাকা,গোলামী না আজাদি মুখস্থ বলতে পারেন।

কিন্তু এদের যারা অন্ধভাবে ফলো করে এরা এতো কিছু নিয়ে মাথা ঘামায় না। মোসাদ্দেকদের আত্মবিশ্বাসের মূল কারণটাও সেখানেই। মোসাদ্দেকরা জানে ওদের সামনে বসে যারা “ঠিক ঠিক” করে সেগুলা ওদের নিজেদের থেকেও বড় গর্ধব।

দাঁতাল-ষণ্ডা-অপদার্থ মোসাদ্দেক বাংলা ১২ মাসের নাম জানেন না, অথচ তিনি ডাকসুর “সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক”!!?

ক্লাস ওয়ানেই শেখানো হয় এইসব। কিন্তু ওরা? অপদার্থগুলো?

বাংলা ১২ মাসের নাম জানবেন না, ১লা বৈশাখে বৈশাখ সম্পর্কেই বলতে পারবেন না, অথচ দাঁতালি, নোংরামি, ফাজলামি, বেয়াদবি ও ষণ্ডামি করে বেড়াবেন দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ ঢাবিতে, তা মানা যায় না।

বাংলা ১২ মাসের নাম জানে না (তার মানে অন্যান্য বিষয়েও তিনি কিছুই জানেন না), আবার ইউরেনাম নিয়ে ভালো জ্ঞান রাখেন।

এমন দাঁতাল-ষণ্ডা ঢাবিতে চান্স পেল কীভাবে, আবার ডাকসুর সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক হলোইবা কোন যোগ্যতায়?

এই দাঁতাল দাবি করেছিলেন, বাংলাদেশের সিলেট বিভাগের মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া পাহাড়ে নাকি এত ইউরেনিয়াম আছে, যা উত্তোলন করলে নাকি ভারতকে অসংখ্যবার উড়িয়ে দেওয়া সম্ভব।

সেই মোসাদ্দেক কিন্তু নিজের দেশের জাতীয় সঙ্গীত গাইতে পারেন না। এক অনুষ্ঠানে জাতীয় সঙ্গীত চলার মাঝে মোসাদ্দেককে দেখা যায় মাইক নামিয়ে তা অন্য একজনকে দিয়ে দিতে।

এর আগেও যে দুটি লাইন তাঁকে গাইতে শোনা গিয়েছে, তাতে না ছিল তাল, না ছিল সুর। এদিকে মোসাদ্দেকের পাশে দাঁড়িয়ে ছিল জামাতের ছাত্র শিবিরের নেতা সাদিক কায়েম। বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত চলার মাঝেই তাঁকে কথা বলতে শোনা যায়। যা কার্যত অবমাননার শামিল।

তবে জানে না তা না, এই রাজাকার, পাকিস্তানপন্থীরা সোনার বাংলা গাইবে না। পাকিস্তানের জাতীয় সঙ্গীত গাইতে তাদের কোনো সমস্যা নেই।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *