ঢাকা: জঙ্গী ইউনূস ভীষণ চালাক একজন ব্যক্তি। তাঁর বাটপারিটা ভীষণভাবে চোখে পড়ে। এই ইউনূস নিজেই নিজের নিরাপত্তা আইন পাশ করে গেছেন।
নিজের ভালোটা খুব ভালো বোঝেন ইউনূস। বাংলাদেশের ৫৫ বছরের ইতিহাসে এইভাবে নিজের ভালো কাউকে বুঝতে দেখা যায়নি।
তিনি যেমন কর দেয়া থেকে নিজেকে বের করে এনেছেন, তেমনি আগামি এক বছর প্রোটোকলটাও ঠিক করে গিয়েছেন।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বিদায়ী প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে দায়িত্ব হস্তান্তরের তারিখ থেকে পরবর্তী এক বছরের জন্য ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ বা ভিআইপি হিসেবে ঘোষণা দিয়েছে সরকার।
তবে এটা বিএনপি সরকারের সিদ্ধান্ত নয়। তিনি নিজেই করে গিয়েছেন এগুলো।
গত ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত এক সরকারি গেজেটে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
এর ফলে ক্ষমতা ছাড়ার পরও তিনি বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী বা এসএসএফ-এর কঠোর নিরাপত্তা বেষ্টনী ও ভিভিআইপি মর্যাদা ভোগ করবেন।
বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী আইন, ২০২১-এর ধারা ২(ক) অনুযায়ী তাঁকে এই বিশেষ রাষ্ট্রীয় সম্মান ও সুরক্ষা প্রদান করা হয়েছে।
মাসুদ কামাল এখানে প্রশ্ন করেছেন, ড. ইউনূস কি মবের ভয়ে এক বছর পর্যন্ত এসএসএফ নিরাপত্তা নিয়েছেন? আগে সবাই পেতো ৩ মাস। আপনাকে কেনো ১ বছর দিতে হবে?
দায়িত্ব পরবর্তী সময়ে প্রধান উপদেষ্টাকে এই মর্যাদা দেওয়ার বিষয়টি বাংলাদেশে নতুন নয়, তবে এবারের সময়সীমা আগের চেয়ে কয়েকগুণ বাড়িয়ে দেয়া হয়েছে।
এর আগে ২০০৬ সালের ২৯ অক্টোবর এক গেজেটের মাধ্যমে তৎকালীন বিদায়ী প্রধান উপদেষ্টাকে একই ধরনের মর্যাদা দেওয়া হয়েছিল, তবে সেটা ছিল মাত্র তিন মাসের জন্য।
মাসুদ কামাল বলেছেন, গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পর অন্তর্বর্তী সরকারের কার্যত দায়িত্ব শেষ হয়।
পরবর্তীতে নবনির্বাচিত সরকার শপথ নেয় এবং মন্ত্রিসভা গঠন সম্পন্ন হয়। তবে দায়িত্ব হস্তান্তরের পরও প্রায় দুই সপ্তাহ সরকারি বাসভবন ‘যমুনা’য় অবস্থান করেন ড. ইউনূস। পরে তিনি গুলশানের ব্যক্তিগত বাসভবনে চলে যান।
তিনি আরো বলেছেন, ২০০৬ সালের বিশেষ নিরাপত্তা সংক্রান্ত অধ্যাদেশ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী এবং তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা দায়িত্ব শেষ হওয়ার পর তিন মাস পর্যন্ত রাষ্ট্রের “অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি” (ভিআইপি) হিসেবে বিবেচিত হন এবং এসএসএফসহ নির্ধারিত নিরাপত্তা সুবিধা পান।
মাসুদ কামাল জানিয়েছেন, চলতি বছরের ১০ ফেব্রুয়ারি জারি হওয়া এক সরকারি প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব হস্তান্তরের তারিখ থেকে এক বছরের জন্য ড. ইউনূসকে অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনটি রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জারি হয় এবং তা অবিলম্বে কার্যকর করা হয়।
মাসুদ কামাল তার বক্তব্যে বলেছেন, ‘আগের আইনে যেখানে তিন মাসের বিধান ছিল, সেখানে নতুন করে এক বছর করা হলো কেন? এটি কি সম্ভাব্য জনরোষ বা মব পরিস্থিতির আশঙ্কা থেকে নেওয়া সিদ্ধান্ত?’
